অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশের লক্ষ্যে বাংলাদেশ দল বোলিংয়ে নামে, যেখানে প্রথমে ব্যাট করে বাংলাদেশ নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৭৪ রান সংগ্রহ করে। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয় রোববার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।
টার্গেট তাড়া করতে নেমে ছয়বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া উড়ন্ত সূচনা করে। ওপেনিং জুটিতে তারা ৪০ রান সংগ্রহ করে। তবে মাত্র তিন বলের ব্যবধানে দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় সফরকারীরা।
বাংলাদেশের পেসার শরীফুল ইসলামের বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে আউট হন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার জশ ইংলিস। তিনি ১২ বলে চারটি বাউন্ডারিতে ২১ রান করেন। পরের বলেই ওয়ানডাউনে নেমে ম্যাট রেনশ কোনো রান না করেই বোল্ড হন।
এর আগে বাংলাদেশের ইনিংসের শুরুটাও ছিল ধীরগতির। ইনিংসের প্রথম ওভারেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। আগের ম্যাচে ৪২ রান করা সৌম্য সরকার মাত্র ২ রান করে ফিরে যান।
অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও তানজিদ হাসান তামিম দ্বিতীয় উইকেটে ৫১ রানের জুটি গড়েন। তবে ৫০ বল খেলে ২৪ রান করে আউট হন শান্ত। তানজিদ হাসান ১৯ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন।
৬১ রানে ৩ উইকেট পতনের পর লিটন কুমার দাস ও তাওহীদ হৃদয় ইনিংস গুছিয়ে আনেন। তারা চতুর্থ উইকেটে ১০৯ বলে ৯৫ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন। ৭৮ বলে ৪টি চার ও ২টি ছক্কায় ৫৮ রান করে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন লিটন।
পরবর্তীতে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও তাওহীদ হৃদয় পঞ্চম উইকেটে দলকে এগিয়ে নেন। তারা ৮১ বলে ৯০ রানের জুটি গড়েন। দলীয় ২৪৬ রানে আউট হন হৃদয়। তিনি ৮৮ বলে ৮টি চারসহ ৮৩ রান করেন।
মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ৫১ বলে ৫টি চার ও ১টি ছক্কায় ৫১ রানে অপরাজিত থাকেন। তার ইনিংসের ওপর ভর করে বাংলাদেশ নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৭৪ রান সংগ্রহ করে ইনিংস শেষ করে।
ইনিংস সংক্ষিপ্ত পরিসংখ্যান
| দল | রান | উইকেট | ওভার |
|---|---|---|---|
| বাংলাদেশ | ২৭৪ | ৫ | ৫০.০ |
গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটিং পারফরম্যান্স
| ব্যাটসম্যান | রান | বল | চার | ছক্কা |
|---|---|---|---|---|
| তাওহীদ হৃদয় | ৮৩ | ৮৮ | ৮ | ০ |
| লিটন কুমার দাস | ৫৮ | ৭৮ | ৪ | ২ |
| মোসাদ্দেক হোসেন | ৫১* | ৫১ | ৫ | ১ |
| তানজিদ হাসান | ১৯ | — | — | — |
| নাজমুল হোসেন শান্ত | ২৪ | ৫০ | — | — |
| সৌম্য সরকার | ২ | — | — | — |
(* অপরাজিত)
ম্যাচে বাংলাদেশের ২৭৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অস্ট্রেলিয়ার শুরুতে ইতিবাচক ব্যাটিংয়ের পর শরীফুল ইসলামের দ্রুত দুই উইকেটে ইনিংসে অস্থিরতা তৈরি হয়, যা ম্যাচের গতি প্রভাবিত করে।
