গাজী জহিরুল ইসলাম
প্রকাশ: ২২ই জুন ২০২৬, ১১:৫৩ পিএম

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস, স্বাধীনতা সংগ্রাম, গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং বাঙালির আত্মপরিচয় প্রতিষ্ঠার ইতিহাসের সঙ্গে যে রাজনৈতিক সংগঠনের নাম অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে আছে, সেটি হলো বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার ঐতিহাসিক রোজ গার্ডেনে প্রতিষ্ঠিত এই দলটি কেবল একটি রাজনৈতিক দল নয়; বরং বাঙালি জাতির অধিকার আদায়, স্বাধিকার আন্দোলন, ভাষা সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ পথচলার অন্যতম প্রধান নেতৃত্বদানকারী শক্তি। আজ ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে প্রতিষ্ঠার ৭৭ বছর অতিক্রম করে দলটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের প্রতিনিধিত্ব করছে। এই দীর্ঘ সময়ে আওয়ামী লীগ যেমন গৌরব ও সাফল্যের সাক্ষী হয়েছে, তেমনি বহন করেছে অসংখ্য ত্যাগ, নির্যাতন, আত্মদান এবং সংগ্রামের ইতিহাস।
Table of Contents
১৯৪৭ সালে ধর্মের ভিত্তিতে ভারত বিভক্তির মাধ্যমে পাকিস্তান নামক নতুন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হলেও পূর্ব বাংলার তথা পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার দ্রুত উপেক্ষিত হতে থাকে। রাষ্ট্রের সামগ্রিক ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হয় পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠীর হাতে। তৎকালীন পূর্ব বাংলার জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া বৈষম্য, বঞ্চনা ও শোষণের বিরুদ্ধে পূর্ব বাংলার আপামর জনগণের মধ্যে ক্রমেই তীব্র অসন্তোষ দানা বাঁধতে থাকে।
এই রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার রোজ গার্ডেনে এক ঐতিহাসিক রাজনৈতিক কর্মী সম্মেলনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ’। নবগঠিত এই রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, সাধারণ সম্পাদক ছিলেন শামসুল হক এবং যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তরুণ নেতা শেখ মুজিবুর রহমান। পরবর্তীকালে ১৯৫৫ সালে দলটি তার রাজনৈতিক অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে পুরোপুরি ধারণ ও প্রকাশ করার লক্ষ্যে সংগঠনের নাম থেকে “মুসলিম” শব্দটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ দেয় এবং ‘আওয়ামী লীগ’ নামে আত্মপ্রকাশ করে সর্বস্তরের অসাম্প্রদায়িক বাঙালির দলে পরিণত হয়।
বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেওয়ার দাবিতে ১৯৫২ সালে সংগঠিত ভাষা আন্দোলন ছিল বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রথম ভিত্তিপ্রস্তর। আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা তৎকালীন এই ভাষা আন্দোলনে রাজপথে অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগ শুধু ভাষার অধিকারই প্রতিষ্ঠা করেনি, বরং বাঙালির রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক আত্মপরিচয়ের আন্দোলনকে আরও বেশি শক্তিশালী ও বেগবান করে তোলে।
পরবর্তী সময়ে ১৯৫৪ সালের ঐতিহাসিক যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক অংশীদার হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যুক্তফ্রন্টের বিখ্যাত ‘২১ দফা কর্মসূচি’ ছিল মূলত পূর্ব বাংলার জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার একটি রাজনৈতিক রূপরেখা। এই নির্বাচনে শোষক দল মুসলিম লীগের চরম ভরাডুবি এবং যুক্তফ্রন্টের বিপুল বিজয় স্পষ্ট প্রমাণ করে যে, সাধারণ জনগণ তৎকালীন পাকিস্তানি বৈষম্যমূলক ও শোষণের শাসনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান লাহোরে ঐতিহাসিক ‘ছয় দফা দাবি’ ঘোষণা করেন, যা বাঙালির স্বায়ত্তশাসন আন্দোলনকে এক নতুন মাত্রা দেয়। এই ছয় দফা ছিল পূর্ব বাংলার অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক স্বাধিকারের সুস্পষ্ট রূপরেখা, যা পরবর্তীকালে সমগ্র বাঙালি জাতির স্বাধীনতার আন্দোলনের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী এই ছয় দফাকে বিচ্ছিন্নতাবাদী আখ্যা দিয়ে দমন-পীড়ন চালালেও পূর্ব বাংলার জনগণ এটিকে নিজেদের ‘মুক্তির সনদ’ হিসেবে সানন্দে গ্রহণ করে।
১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলনের জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ অন্য নেতাদের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা’ দায়ের করে। এর প্রতিবাদে ১৯৬৯ সালে পূর্ব বাংলায় এক অভূতপূর্ব গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়, যা পাকিস্তানি সামরিক শাসনের ভিত সম্পূর্ণরূপে নাড়িয়ে দেয়। ছাত্র-জনতার তীব্র ও স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলনের মুখে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয় পাকিস্তান সরকার এবং শেখ মুজিবুর রহমানসহ সকল রাজনৈতিক নেতা সসম্মানে মুক্তি লাভ করেন। এই ঐতিহাসিক মুক্তি লাভের পরই তৎকালীন ছাত্র-জনতার পক্ষ থেকে রেসকোর্স ময়দানে শেখ মুজিবুর রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে “বঙ্গবন্ধু” উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় ১৯৭০ সালে পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ পাকিস্তানের জাতীয় সংসদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে এককভাবে সরকার গঠনের বৈধতা লাভ করে। কিন্তু নির্বাচনের এই গণতান্ত্রিক ফলাফল মেনে নিয়ে বাঙালির হাতে রাষ্ট্রক্ষমতা হস্তান্তর না করে তৎকালীন পাকিস্তানি সামরিক জান্তা ও রাজনৈতিক নেতারা গভীর ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নেয়। এরই প্রেক্ষিতে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন, যা সমগ্র বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার চূড়ান্ত লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানায়।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালো রাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী পূর্ব বাংলার নিরস্ত্র জনগণের ওপর নৃশংস গণহত্যা শুরু করার পর ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এরপর শুরু হয় ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মহান মুক্তিযুদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নেতৃত্বে গঠিত হয় প্রবাসী ‘মুজিবনগর সরকার’, যা দেশের ভেতরে ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনায় মূল কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে। অবশেষে দীর্ঘ নয় মাসের যুদ্ধ, ৩০ লাখ শহীদের মহান আত্মদান এবং ২ লাখেরও বেশি মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত হয় স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ।
স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত ও অর্থনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত দেশটিকে নতুন করে গড়ে তোলার কঠিন দায়িত্ব গ্রহণ করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার। তবে দেশ পুনর্গঠনের এই সুকঠিন যাত্রার মধ্যেই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক কালো অধ্যায়ের সূচনা হয়। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর দেশে দীর্ঘ সময় ধরে সামরিক শাসন, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং গণতন্ত্রবিরোধী শক্তির উত্থান ঘটে, যার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগকে দীর্ঘ মেয়াদে রাজপথে কঠিন সংগ্রাম ও আন্দোলন চালিয়ে যেতে হয়।
আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ৭৭ বছরের রাজনৈতিক পথচলার প্রধান প্রধান ঐতিহাসিক মাইলফলকসমূহ নিচে একটি তালিকার মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত আকারে উপস্থাপন করা হলো:
| ঐতিহাসিক সাল | গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক মাইলফলক ও ঘটনা |
| ১৯৪৯ সাল | ২৩ জুন ঢাকার রোজ গার্ডেনে দলটির আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা। |
| ১৯৫২ সাল | রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় ও কেন্দ্রীয় ভূমিকা। |
| ১৯৫৪ সাল | যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং নিরঙ্কুশ ও ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন। |
| ১৯৬৬ সাল | বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক বাঙালির মুক্তির সনদ ‘৬ দফা’ ঘোষণা। |
| ১৯৬৯ সাল | ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান এবং শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি প্রদান। |
| ১৯৭০ সাল | সাধারণ নির্বাচনে জাতীয় পরিষদে আওয়ামী লীগের একক নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ। |
| ১৯৭১ সাল | ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ, মুজিবনগর সরকার গঠন ও মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন। |
| ১৯৭৫ সাল | ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা। |
আশির দশকে দেশের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং নব্বইয়ের দশকের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ রাজপথে রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দলটির দীর্ঘ ও আপসহীন আন্দোলনের ফলেই দেশে পুনরায় গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হতে পেরেছিল। দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে আওয়ামী লীগ দেশে উন্নয়নমুখী রাজনীতির একটি নতুন ধারাও প্রতিষ্ঠা করেছে। দেশের বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন, বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, ডিজিটাল প্রযুক্তির প্রসার, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের আধুনিকায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেশের সামগ্রিক অগ্রগতিতে দলটির শাসন আমলের অবদান ও গৃহীত পদক্ষেপসমূহ রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে ব্যাপকভাবে আলোচিত।
এসকল অর্থনৈতিক ও সামাজিক সূচকের ইতিবাচক পরিবর্তনের ফলেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বমঞ্চে স্বল্পোন্নত দেশ (LDC) থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্নীত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে। দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন, সামাজিক সূচকসমূহের উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থানকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে দলটির বিভিন্ন সময়ে গৃহীত উদ্যোগসমূহ দৃশ্যমান ভূমিকা রেখেছে।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের এই ৭৭ বছরের দীর্ঘ ইতিহাস কেবল রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের ইতিহাস নয়; এটি মূলত ভাষা শহীদ, মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদ, গণতন্ত্রের জন্য বিভিন্ন সময়ে আত্মদানকারী অগণিত নেতাকর্মী এবং সাধারণ গণমানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের ইতিহাস। এই সুদীর্ঘ পথচলায় দলটিকে অসংখ্য রাজনৈতিক সংকট, সামরিক জান্তার কোপানল, সুগভীর ষড়যন্ত্র, দমন-পীড়ন ও চরম প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে টিকে থাকতে হয়েছে।
সকল প্রতিকূলতা সত্ত্বেও স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, অসাম্প্রদায়িকতা এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূল আদর্শকে ধারণ করে দলটি তার রাজনৈতিক পথচলা অব্যাহত রেখেছে। দলটির ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কেবল একটি রাজনৈতিক দলের জন্মবার্ষিকী নয়, বরং এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও জাতীয় অগ্রযাত্রার ইতিহাসেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এই বিশেষ দিনে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয় ভাষা আন্দোলনের শহীদদের, মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আত্মত্যাগকারী সকল নেতাকর্মীকে। গৌরবময় ইতিহাস, সংগ্রামের ঐতিহ্য এবং স্বাধীনতার চেতনাকে ধারণ করে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের অঙ্গীকার নিয়ে দলটির পথচলা অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য