খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ২৩ই জুন ২০২৬, ৯:৩৩ পিএম

ব্রাজিল জাতীয় দল যখন বিশ্বকাপে ‘হেক্সা’ জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে, ঠিক সেই সময়েই আলোচনায় উঠে আসে অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার থিয়াগো সিলভার নাম। দীর্ঘদিন জাতীয় দলের হয়ে নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্স দেওয়া এই তারকাকে নিয়ে অনেকেরই প্রত্যাশা ছিল—তিনি হয়তো আবারও বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা করে নেবেন। তবে শেষ পর্যন্ত সেই সম্ভাবনা বাস্তব হয়নি। জাতীয় দলের দরজা আপাতত বন্ধ থাকলেও ক্লাব ফুটবলে নতুন করে পথচলা শুরু করেছেন তিনি।
সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে থিয়াগো সিলভাকে দলে ফেরানোর ঘোষণা দেয় তার পুরোনো ক্লাব ফ্লুমিনেন্সে। নতুন চুক্তি অনুযায়ী, ৪১ বছর বয়সী এই সেন্টার-ব্যাক ২০২৬ সালের শেষ পর্যন্ত রিও ডি জেনিরোর ক্লাবটির জার্সি গায়ে মাঠে নামবেন। বয়সের ভার থাকলেও তার অভিজ্ঞতা এবং নেতৃত্বগুণ এখনও ক্লাবটির জন্য বড় সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এর আগে ২০২৫ সালের শেষ দিকে ফ্লুমিনেন্সে ছেড়ে যান সিলভা। তখন ক্লাবটির ইচ্ছা ছিল চুক্তির মেয়াদ অনুযায়ী অন্তত ২০২৬ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত তাকে ধরে রাখা। কিন্তু নানা পরিস্থিতির কারণে শেষ পর্যন্ত সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। ফলে অল্প সময়ের বিরতির পর আবারও পুরোনো ঠিকানায় ফিরে এলেন তিনি।
সে সময় ব্রাজিলের ক্রীড়া এক প্রতিবেদনে জানায়, ক্লাব কর্তৃপক্ষ সিলভাকে শুধু একজন খেলোয়াড় হিসেবে নয়, বরং দলের অভিভাবকসুলভ একজন নেতা হিসেবেও দেখত। তার উপস্থিতি তরুণ ফুটবলারদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস ছিল। ডিফেন্স সংগঠনে তার দক্ষতা, ম্যাচ পড়ার ক্ষমতা এবং চাপের মুহূর্তে শান্ত থাকার গুণ দলকে অনেক সময় বাড়তি সুবিধা এনে দিয়েছে।
ফ্লুমিনেন্সেতে সিলভার এই প্রত্যাবর্তন শুধুই একজন অভিজ্ঞ খেলোয়াড়ের ফেরা নয়; এটি দলের ভেতরে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনারও একটি প্রচেষ্টা। ক্লাবটির সমর্থকরাও তাকে সবসময়ই আপন করে নিয়েছে। ফলে তার ফিরে আসার খবর প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
জাতীয় দলে জায়গা না পাওয়ার হতাশা থাকলেও, পরিচিত পরিবেশে ফিরে এসে আবারও নিজেকে প্রমাণের সুযোগ পাচ্ছেন থিয়াগো সিলভা। সামনে সময়ই বলে দেবে, এই প্রত্যাবর্তন কতটা সফল হয় এবং ফ্লুমিনেন্সের জন্য তিনি কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।
মন্তব্য