জি- লাইভ ডেস্ক
প্রকাশ: ৯ই আগস্ট ২০২৬, ১০:৫ পিএম

ভারতের আসামে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে মানবিক ও জরুরি উদ্যোগ নিয়েছে জীবন বিমা প্রতিষ্ঠান ‘কানারা এইচএসবিসি লাইফ ইন্স্যুরেন্স’। দুর্যোগকবলিত এলাকার গ্রাহক ও তাদের স্বজনদের কাছে দ্রুততম সময়ে বিমার অর্থ পৌঁছে দিতে বিমা দাবি মেটানোর পুরো প্রক্রিয়াটি অনেক সহজ ও দ্রুততর করার ঘোষণা দিয়েছে তারা।
প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে আসামের বহু এলাকা প্লাবিত হওয়ার কারণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ভিটেমাটি হারানোর পাশাপাশি বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। এই চরম মানবিক সংকটের দিনে বিমা দাবির জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি দাপ্তরিক প্রক্রিয়া কাটিয়ে উঠতেই কোম্পানিটি এ উদ্যোগ নিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো যেন কোনো রকম হয়রানি বা বিলম্ব ছাড়াই বিমা দাবি উপস্থাপন করতে পারে, সেজন্য কাগজপত্র সংক্রান্ত কড়াকড়ি অনেক শিথিল করা হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে যোগ্য দাবিগুলো পর্যালোচনা করে আর্থিক সহায়তা দ্রুত হস্তান্তর করাকে এখন সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দিচ্ছে বিমা সংস্থাটি।
নতুন এই নির্দেশনার ফলে বিমার অর্থ পেতে গ্রাহক বা তাদের মনোনীত উত্তরসূরিদের খুব সাধারণ কয়েকটি নথি জমা দিলেই চলবে। দাবিকৃত অর্থ পেতে যেসব প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকা দেওয়া হয়েছে তা নিচে তুলে ধরা হলো:
আবেদনপত্র: সঠিকভাবে পূরণ করা নির্দিষ্ট বিমা দাবি ফরম।
মৃত্যুর প্রমাণ: পৌরসভার ইস্যু করা অফিসিয়াল ডেথ সার্টিফিকেট, সরকার কর্তৃক প্রকাশিত মৃতের নাম সংবলিত তালিকা কিংবা আইনসম্মত অন্য যেকোনো স্বীকৃত প্রমাণপত্র।
পরিচয়পত্র: বিমা দাবিদারের ছবিসহ সরকারি পরিচয়পত্র (যেমন: আধার কার্ড, ভোটার আইডি বা পাসপোর্ট)।
সম্পর্কের প্রমাণপত্র: প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিমাকারীর সঙ্গে দাবিদারের সম্পর্কের আইনগত নথি বা প্রমাণ।
ব্যাংক সংক্রান্ত তথ্য: দ্রুততম সময়ে ব্যাংকে টাকা জমা হওয়ার সুবিধার্থে বাতিল করা চেক (Cancelled Cheque), ব্যাংক স্টেটমেন্টের কপি অথবা এনইএফটি (NEFT) মানডেট ফরম।
আসামের দুর্যোগকবলিত বাসিন্দারা যেন নির্বিঘ্নে যোগাযোগ করতে পারেন, সে কথা মাথায় রেখে কোম্পানির কাস্টমার কেয়ার সার্ভিস এবং ডিজিটাল সহায়তা চ্যানেলগুলোকে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো কানারা এইচএসবিসি লাইফের কাছের কোনো শাখা, হটলাইন নম্বর অথবা তাদের অনলাইন পোর্টালে সরাসরি যোগাযোগ করে খুব সহজেই প্রক্রিয়াটি শুরু করতে পারবেন। সংকটময় পরিস্থিতিতে মানুষের অর্থকষ্ট দূর করতে বিমা খাতের এই গতিশীল ও দায়িত্বশীল উদ্যোগ বাস্তবে ব্যাপক স্বস্তি এনে দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মন্তব্য