ব্রেকিং নিউজ :
মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন

দেশ

ফেব্রুয়ারিতে এলপিজির দামে অনিশ্চয়তা

খবরওয়ালা ডেস্ক

প্রকাশ: ১ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৭:৪১ পিএম

ফেব্রুয়ারিতে এলপিজির দামে অনিশ্চয়তা

ফেব্রুয়ারি মাসে ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)–এর দাম বাড়বে নাকি কমবে—তা জানতে অপেক্ষা আর মাত্র এক দিনের। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন মূল্য ঘোষণা করবে, যা আগামী এক মাসের জন্য কার্যকর থাকবে। প্রতি মাসের মতো এবারও আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি ও আমদানি ব্যয়ের আলোকে এই মূল্য নির্ধারণ করা হবে।

বিইআরসি রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সৌদি আরামকো ঘোষিত ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মাসের সৌদি সিপি (কনট্রাক্ট প্রাইস) অনুসরণ করে দেশে বেসরকারি খাতে সরবরাহকৃত এলপিজির দাম সমন্বয় করা হবে। এ বিষয়ে কমিশনের সিদ্ধান্ত সোমবার দুপুর ৩টায় ঢাকায় ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনে কমিশনের শুনানি কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রকাশ করা হবে। ভোক্তা, আমদানিকারক ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এলপিজির দাম নির্ধারণে আন্তর্জাতিক বাজারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি বাজারে সৌদি আরামকো ঘোষিত মাসিক সিপি এলপিজির মূল্য নির্ধারণের মূল ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়। এর পাশাপাশি ডলার বিনিময় হার, সমুদ্র ও স্থল পরিবহন ব্যয়, টার্মিনাল চার্জ, বটলিং খরচ এবং বিপণন ব্যয় যুক্ত হয়ে চূড়ান্ত ভোক্তা মূল্য নির্ধারিত হয়। এসব উপাদানের ওঠানামার কারণেই এলপিজির দাম প্রায় প্রতি মাসেই পরিবর্তিত হয়।

চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে দেশে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের ভোক্তা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ হাজার ৩০৬ টাকা। এর আগের মাস ডিসেম্বরে একই সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ২৫৩ টাকা। মাত্র এক মাসের ব্যবধানে ৫৩ টাকা বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ ভোক্তাদের ব্যয় বেড়েছিল। শহরাঞ্চলের বাসাবাড়ি, হোটেল-রেস্তোরাঁ এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব তুলনামূলকভাবে বেশি অনুভব করেন, কারণ প্রাকৃতিক গ্যাসের সংযোগ না থাকা এলাকায় এলপিজিই রান্না ও উৎপাদনের প্রধান জ্বালানি।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রোপেন ও বিউটেনের দামের ওঠানামা, মধ্যপ্রাচ্যের উৎপাদন ও রপ্তানি পরিস্থিতি, বৈশ্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং শীত মৌসুমে জ্বালানির চাহিদা বৃদ্ধি—সব মিলিয়ে এলপিজির দামে প্রভাব পড়ে। শীতকালে ইউরোপ ও পূর্ব এশিয়ার অনেক দেশে গ্যাসের চাহিদা বেড়ে যায়, ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কিছুটা অস্থির থাকে। এর প্রত্যক্ষ প্রভাব আমদানিনির্ভর বাংলাদেশের বাজারেও পড়ে।

সাম্প্রতিক দুই মাসের ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের ভোক্তা মূল্য নিচের ছকে তুলে ধরা হলো—

মাস১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম (টাকা)মূল্য পরিবর্তন
ডিসেম্বর ২০২৫১,২৫৩
জানুয়ারি ২০২৬১,৩০৬+৫৩

সোমবার ঘোষিত নতুন দাম যদি বাড়ে, তাহলে ভোক্তাদের মাসিক ব্যয়ে আরও চাপ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর জন্য রান্নার খরচ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে, দাম কমলে কিছুটা স্বস্তি মিলবে এবং হোটেল-রেস্তোরাঁ, বেকারি, ক্ষুদ্র শিল্প ও পরিবহন–সংশ্লিষ্ট খাতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

সব মিলিয়ে, ফেব্রুয়ারি মাসের এলপিজির নতুন দাম ঘিরে ভোক্তা ও ব্যবসায়ী—উভয় পক্ষেরই আগ্রহ তুঙ্গে। সোমবারের ঘোষণার দিকেই এখন সবার দৃষ্টি নিবদ্ধ।

মন্তব্য