ফজলুর রহমান পটল । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

ফজলুর রহমান পটল একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ ও সংসদ সদস্য। তিনি নাটোর-১ আসন থেকে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

ফজলুর রহমান পটল । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

ফজলুর রহমান পটল । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

প্রাথমিক জীবন

ফজলুর -রহমান পটল ১৯৪৯ সালে ২৪ এপ্রিল নাটোর জেলার লালপুর উপজেলার গৌরিপুর গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তার বাবার নাম আরশাদ আলী এবং মাতার নাম ফজিলাতুন নেছা। পাঁচভাই ও একবোনের পরিবারে তিনিই ছিলেন সবার বড়।

ছাত্র জীবন

ফজলুর -রহমান পটল লালপুর উপজেলার গৌরিপুরে প্রাথমিক ও গৌরিপুর উচ্চ বিদ্যালয় হতে ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশুনা করে পাবনাতে যেয়ে পড়াশুনা শুরু করেন। সেখানে স্থানীয় একটি বিদ্যালয় থেকে মেট্রিক পাস করেন এবং পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যামিক পাস করেন। এর পর তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সেখানে তিনি পরিসংখ্যান বিষয়ে পড়াশুনা করেন। ছাত্র জীবন থেকেই তিনি ছাত্র রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন।

 

google news
গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন

 

 

রাজনৈতিক জীবন

ফজলুর -রহমান পটল ১৯৭৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্যানেল থেকে ভিপি নির্বাচিত হন। ১৯৭৮ সালে তিনি রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে বিএনপিতে যুক্ত হন। তিনি বিএনপির প্রচার সম্পাদক হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। এর পর তিনি বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার অন্যতম উপষ্ঠো হিসাবে আমৃত্যু দায়িত্ব পালন করেন। তিনি নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসন থেকে বিএনপি’র প্রার্থী হিসাবে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এর মধ্যে ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকারের শাসনামলে যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী হন। এরপর ১৯৯৩ সালে সমাজ কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এবং ২০০১ সালে চার দলীয় জোট সরকারের সময় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

পারিবারিক জীবন

তিনি ১৯৮৪ সালের ১৪ মে কামরুন্নাহার শিরিনের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের ২ ছেলে ও ২ মেয়ে রয়েছে। তারা হলেন: বড় ছেলে ইয়াসির আরশাদ রাজন, ছোট ছেলে ইস্তেখার আরশাদ প্রতীক, বড় মেয়ে ফারহানা শারমিন কাকন গৃহীনি ও ছোট মেয়ে ফারজানা শারমিন পুতুল।

 

ফজলুর রহমান পটল । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

মৃত্যু

ফজলুর রহমান পটল বেশ কয়েক বছর ধরে কিডনির জটিল রোগে ভুগছিলেন। তিনি দেশে বিদেশে চিকিৎসা নেন। ২০১৬ সালের ১৬ এপ্রিল চিকিৎসার জন্য কলকাতা যান। সেখানে রবীন্দ্র হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১১ আগস্ট তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

আরও দেখুনঃ

Leave a Comment