খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ১৩ই ডিসেম্বর ২০২২, ২:৫২ পিএম
সরওয়ার জামাল নিজাম বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন রাজনীতিবিদ এবং চট্টগ্রাম -১২ আসনের সাবেক সাংসদ। তিনি ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬, জুন ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে সংসদ- সদস্য নির্বাচিত হন।
Table of Contents

সরওয়ার জামাল নিজাম চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ভাইস-এডমিরাল সরোয়ার জাহান নিজামের ভাই।
সরওয়ার জামাল নিজাম বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য। তিনি চট্টগ্রাম -১২ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মনোনয়নে ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬ সালের ষষ্ঠ সংসদ, জুন ১৯৯৬ সালের সপ্তম সংসদ ও ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ- সদস্য নির্বাচিত হন। চট্টগ্রাম-১৩ আসনে ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ও চট্টগ্রাম-১৩ আসনে ২০১৮ সালে বিএনপির হয়ে পরাজিত হন।
২০০৭ সালের জুনে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতিবিদ জামালউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুর ঘটনায় র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন সদস্যরা তাকে গ্রেপ্তার করে। ২৪ জুলাই ২০০৩ সালে জামালউদ্দিন চৌধুরীকে চট্টগ্রাম থেকে অপহরণ করা হয়। অপহরণকারীরা মুক্তিপণ হিসাবে ১০ কোটি টাকা দাবি করে। তার দেহাবশেষ আবিষ্কার হয়েছিল ২৪ জুলাই ২০০৩ সালে। সরোয়ার জামাল নিজামেরর ছোট ভাই মারুফ নিজামের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী পরিবার হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ করেছিলেন।

সংসদ- সদস্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে পার্লামেন্ট বা জাতীয় সংসদে সরকার কিংবা বিরোধীদলীয় সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। এর ইংরেজি প্রতিরূপ হচ্ছে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ বা ‘এমপি’ এবং বাংলায় ‘সংসদ -সদস্য’ কিংবা ‘সাংসদ’। এছাড়া, ফরাসী ভাষায় সংসদ -সদস্যকে ‘ডেপুটি’ নামে অভিহিত করা হয়।
সংসদীয় গণতন্ত্রে একজন সংসদ -সদস্য আইন-প্রণয়ন বিশেষতঃ রাষ্ট্রীয় আইন ও নাগরিক অধিকার প্রণয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সাধারণ অর্থে নির্দিষ্ট সংসদ কিংবা জাতীয় সংসদের সদস্যই এমপি বা সংসদ -সদস্য হিসেবে আখ্যায়িত হন।
বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দ্বি-স্তরবিশিষ্ট সংসদীয় গণতন্ত্র রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে – উচ্চ কক্ষ এবং নিম্ন কক্ষ। সেক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি হিসেবে ‘সংসদ -সদস্য’ পদটি নিম্নকক্ষের জন্য প্রযোজ্য। সচরাচর জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদ -সদস্য পদটি উচ্চ কক্ষে ভিন্ন পদে উপস্থাপন ও চিহ্নিত করা হয়। উচ্চ কক্ষ হিসেবে সিনেটে সংসদ -সদস্য তখন তিনি ‘সিনেটর’ পদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

সংসদ- সদস্য হিসেবে ব্যক্তিকে প্রাথমিকভাবে দলের সদস্যরূপে তাঁর অবস্থানকে নিশ্চিত করতে হয়। পরবর্তীতে দলীয় সভায় মনোনয়নের মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও জনমতের যথার্থ সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিফলনে তিনি এমপি হিসেবে নির্বাচিত হন।
কখনোবা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অভাবে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে থাকেন। সাধারণতঃ সংসদ -সদস্য কোন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সদস্য হয়ে থাকেন। দলীয়ভাবে মনোনয়নলাভে ব্যর্থ হলে কিংবা দলীয় সম্পৃক্ততা না থাকলেও ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী’ হিসেবে অনেকে নির্বাচিত কিংবা মনোনীত সংসদ -সদস্য হন।
আরও দেখুনঃ
মন্তব্য