সরদার আমজাদ হোসেন এম.এ । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

সরদার আমজাদ হোসেন এম.এ  (আনু. ১৯৩৯ ১৯ ডিসেম্বর ২০১৪) বাংলাদেশের রাজশাহী জেলার রাজনীতিবিদ যিনি রাজশাহী-৩ আসনের – ছিলেন।

সরদার আমজাদ হোসেন এম.এ । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

সরদার আমজাদ হোসেন এম.এ । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

প্রাথমিক জীবন

সরদার -আমজাদ হোসেন আনু. ১৯৩৯ সালে বাংলাদেশের রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার হামিরকুৎসা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে।

রাজনৈতিক জীবন

ষাটের দশকে ছাত্রলীগে সম্পৃক্ততার মাধ্যমে রাজনীতিতে আসা আমজাদ হোসেন আওয়ামী লীগ থেকে কয়েক দফা সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পর জাতীয় পার্টিতে গিয়ে আবার আওয়ামী লীগে ফিরে আসেন।

 

google news
গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন

 

 

সংসদ -সদস্য

সংসদ -সদস্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে পার্লামেন্ট বা জাতীয় সংসদে সরকার কিংবা বিরোধীদলীয় সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। এর ইংরেজি প্রতিরূপ হচ্ছে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ বা ‘এমপি’ এবং বাংলায় ‘সংসদ -সদস্য’ কিংবা ‘সাংসদ’। এছাড়া, ফরাসী ভাষায় সংসদ -সদস্যকে ‘ডেপুটি’ নামে অভিহিত করা হয়।

পরিচিতি

সংসদীয় গণতন্ত্রে একজন সংসদ- সদস্য আইন-প্রণয়ন বিশেষতঃ রাষ্ট্রীয় আইন ও নাগরিক অধিকার প্রণয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সাধারণ অর্থে নির্দিষ্ট সংসদ কিংবা জাতীয় সংসদের সদস্যই এমপি বা সংসদ -সদস্য হিসেবে আখ্যায়িত হন।

বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দ্বি-স্তরবিশিষ্ট সংসদীয় গণতন্ত্র রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে – উচ্চ কক্ষ এবং নিম্ন কক্ষ। সেক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি হিসেবে ‘সংসদ -সদস্য’ পদটি নিম্নকক্ষের জন্য প্রযোজ্য। সচরাচর জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদ- সদস্য পদটি উচ্চ কক্ষে ভিন্ন পদে উপস্থাপন ও চিহ্নিত করা হয়। উচ্চ কক্ষ হিসেবে সিনেটে সংসদ -সদস্য তখন তিনি ‘সিনেটর’ পদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

 

সরদার আমজাদ হোসেন এম.এ । বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

অবস্থান

সংসদ- সদস্য হিসেবে ব্যক্তিকে প্রাথমিকভাবে দলের সদস্যরূপে তাঁর অবস্থানকে নিশ্চিত করতে হয়। পরবর্তীতে দলীয় সভায় মনোনয়নের মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও জনমতের যথার্থ সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিফলনে তিনি এমপি হিসেবে নির্বাচিত হন।

কখনোবা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অভাবে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে থাকেন। সাধারণতঃ সংসদ -সদস্য কোন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সদস্য হয়ে থাকেন। দলীয়ভাবে মনোনয়নলাভে ব্যর্থ হলে কিংবা দলীয় সম্পৃক্ততা না থাকলেও ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী’ হিসেবে অনেকে নির্বাচিত কিংবা মনোনীত সংসদ -সদস্য হন।

আরও দেখুনঃ

Leave a Comment