খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ১৩ই ডিসেম্বর ২০২২, ১:৫৫ পিএম
সফিউল্লাহ (১৯৪৬–২৫ অক্টোবর ২০০৮) বাংলাদেশের চাঁদপুর জেলার রাজনীতিবিদ ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক যিনি তৎকালীন কুমিল্লা-২৬ আসনের আসনের সংসদ -সদস্য ছিলেন।
Table of Contents

এম সফিউল্লাহ ১৯৪৬ সালে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জের বারপাইকা গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন। পৈত্রিক বাড়ি ফরিদগঞ্জের ১৫নং রূপসা উত্তর ইউনিয়নস্থ বারপাইকা গ্রামে। তার ২ পুত্র ও ৩ কন্যা। তিনি গৃদকালিন্দিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি,চাঁদপুর সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করেন।
এম,সফিউল্লাহ ৬৬ এর ৬ দফা আন্দোলন,৬৯ এর গন অভ্যুথান বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণসহ তৎকালীন সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। মুক্তিযুদ্ধে তিনি বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্সের (বিএলএফ) চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাব সেক্টর কমান্ডার ছিলেন। তিনি ১৯৯২ সালেচাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।
১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির প্রথমে সাংগঠনিক সম্পাদক ও পরবর্তীতে সহ-সভাপতি ছিলেন। যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যও ছিলেন তিনি। ১৯৭৩ সালের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন কুমিল্লা-২০ আসন থেকে সংসদ -সদস্য নির্বাচিত হন।
তিনি চাঁদপুর জেলা রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ছিলেন। চাঁদপুর জেলা যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক ছিলেন। চাঁদপুর ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। বদরপুর আলিয়া মাদ্রাসা,ফরিদগঞ্জ এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। গৃদকালিন্দিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। চাঁদপুরের পুরান বাজারস্থ মার্চেন্ড একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন।
দীর্ঘদিন চাঁদপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি ছিলেন। চাঁদপুর জেলা ডায়াবেটিক হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। চাঁদপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার নিবন্ধিত চাঁদপুর ইয়ুথ ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। উনি চাঁদপুর জেলায় বহু স্কুল, কলেজ প্রতিষ্ঠায় বলিষ্ঠ ভুমিকা পালন করেন।
এম সফিউল্লা ২৫ অক্টোবর ২০০৮ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

সংসদ- সদস্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে পার্লামেন্ট বা জাতীয় সংসদে সরকার কিংবা বিরোধীদলীয় সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। এর ইংরেজি প্রতিরূপ হচ্ছে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ বা ‘এমপি’ এবং বাংলায় ‘সংসদ -সদস্য’ কিংবা ‘সাংসদ’। এছাড়া, ফরাসী ভাষায় সংসদ -সদস্যকে ‘ডেপুটি’ নামে অভিহিত করা হয়।
সংসদীয় গণতন্ত্রে একজন সংসদ -সদস্য আইন-প্রণয়ন বিশেষতঃ রাষ্ট্রীয় আইন ও নাগরিক অধিকার প্রণয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সাধারণ অর্থে নির্দিষ্ট সংসদ কিংবা জাতীয় সংসদের সদস্যই এমপি বা সংসদ- সদস্য হিসেবে আখ্যায়িত হন।
বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দ্বি-স্তরবিশিষ্ট সংসদীয় গণতন্ত্র রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে – উচ্চ কক্ষ এবং নিম্ন কক্ষ। সেক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি হিসেবে ‘সংসদ -সদস্য’ পদটি নিম্নকক্ষের জন্য প্রযোজ্য। সচরাচর জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদ -সদস্য পদটি উচ্চ কক্ষে ভিন্ন পদে উপস্থাপন ও চিহ্নিত করা হয়। উচ্চ কক্ষ হিসেবে সিনেটে সংসদ -সদস্য তখন তিনি ‘সিনেটর’ পদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

সংসদ সদস্য হিসেবে ব্যক্তিকে প্রাথমিকভাবে দলের সদস্যরূপে তাঁর অবস্থানকে নিশ্চিত করতে হয়। পরবর্তীতে দলীয় সভায় মনোনয়নের মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও জনমতের যথার্থ সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিফলনে তিনি এমপি হিসেবে নির্বাচিত হন। কখনোবা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অভাবে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে থাকেন।
সাধারণত সংসদ স-দস্য কোন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সদস্য হয়ে থাকেন। দলীয়ভাবে মনোনয়নলাভে ব্যর্থ হলে কিংবা দলীয় সম্পৃক্ততা না থাকলেও ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী’ হিসেবে অনেকে নির্বাচিত কিংবা মনোনীত সংসদ-সদস্য হন।
আরও দেখুনঃ
মন্তব্য