খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ২১ই জুন ২০২৬, ২:৪ এএম

ফাঁস হওয়া অডিওতে পিএস আরমানকে বলতে শোনা যায়, পুলিশের সার্কেল অফিসারকে তিনি একবার টাকা দিয়েছেন এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গেও বিষয়টি ‘পজিটিভলি সেটেলমেন্ট’ হয়েছে।
অন্যদিকে, তারিকুল হক নামের ওই ব্যক্তি এমপি শাহাজাহান চৌধুরীকে এলাকায় আসতে নিষেধ করে উগ্র মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “এখানে এমপি হচ্ছেন আরমান সাহেব।” এমনকি এমপি এলাকায় এলে তাকে অস্ত্র দিয়ে প্রতিহতের হুমকিও দিতে শোনা যায় তাকে।
এমপি শাহাজাহান চৌধুরী: সংসদ সদস্য শাহাজাহান চৌধুরী অডিওর সত্যতা স্বীকার করে জানান, মাটি ও বালু খেকোদের বিরুদ্ধে তার অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। তাকে দেওয়া হুমকির বিষয়ে তিনি ভয় পান না উল্লেখ করে বলেন, “আরমানের অপকর্ম প্রমাণিত হলে তাকে অবিলম্বে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে।”
জামায়াত ইসলামী: লোহাগাড়া উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আ.ন.ম নোমান এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও বিব্রত প্রকাশ করে দেশবাসীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। বিষয়টি দলীয় হাইকমান্ডকে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি প্রশাসনের ভাবমূর্তি রক্ষায় ইউএনও এবং সার্কেল অফিসারকে স্পষ্ট বিবৃতি দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
পুলিশ প্রশাসন: সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত এসপি আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী অর্থ লেনদেনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি জানান, অডিওর সত্যতা যাচাই ও তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। উল্টো পিএস আরমানের বিভিন্ন অবৈধ তদবিরের তথ্য পুলিশের কাছে রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
যুবদল: তারিকুল হক যুবদলের রাজনীতির সাথে জড়িত বলে গুঞ্জন উঠলেও লোহাগাড়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সাব্বির আহমদ তা নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি জানান, যুবদলের কোনো কমিটিতেই তারিকুল নামের কেউ নেই।
এদিকে ঘটনার মূল অভিযুক্ত পিএস আরমান উদ্দিন, তারিকুল হক এবং লোহাগাড়ার ইউএনও মো. বায়েজীদ-বিন-আখন্দের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য