দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট পৌরসভার দক্ষিণ নয়াপাড়া এলাকায় শাহ আলম (৬০) নামে এক বৃদ্ধ কাঠমিস্ত্রির গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এবং তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে এখনো রহস্যের সৃষ্টি রয়েছে।
শনিবার (১৭ মে) সকালে স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ওই ব্যক্তির নিজ বাড়ি থেকে লাশটি উদ্ধার করে। পরে ঘটনাস্থল থেকে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করা হয়। এরপর লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ঘটনার দিন ভোরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে শাহ আলম উত্তেজিত হয়ে নিজের মাথায় আঘাত করেন এবং পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নিজের গলা কেটে আত্মহত্যা করেন বলে তারা জানান। তবে এই দাবি এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।
অন্যদিকে স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনাকে ঘিরে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তাদের মতে, একজন মানুষের পক্ষে নিজে গলা কেটে আত্মহত্যা করা কতটা সম্ভব, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। ফলে ঘটনাটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণে সংঘটিত হয়েছে—এ নিয়ে এলাকায় আলোচনা ও ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে এটিকে রহস্যজনক মৃত্যু হিসেবে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। পাশাপাশি আইনগত প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।
ঘটনাটির সারসংক্ষেপ
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| নিহত ব্যক্তির নাম | শাহ আলম |
| বয়স | ৬০ বছর |
| পেশা | কাঠমিস্ত্রি |
| স্থান | দক্ষিণ নয়াপাড়া, ঘোড়াঘাট পৌরসভা |
| লাশ উদ্ধার সময় | শনিবার (১৭ মে) সকাল |
| পরিবারের দাবি | পারিবারিক বিরোধের পর আত্মহত্যা |
| লাশ প্রেরণ স্থান | দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল |
| তদন্ত অবস্থা | পুলিশি তদন্ত চলমান, ময়নাতদন্ত অপেক্ষমাণ |
ঘটনাটি নিয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি। তদন্ত ও ময়নাতদন্তের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
