ক্যারিক দায়িত্ব নেওয়ার পর ছয় ম্যাচে এখনও শুরুর একাদশে সুযোগ পাননি সেস্কো। তবে বদলি হিসেবে নামেই তিনি তৃতীয়বারের মতো দলকে উদ্ধার করলেন। এর আগে দুই ম্যাচে শেষ মুহূর্তে গোল করে জয় ও ড্র এনে দিয়েছিলেন তিনি। এভারটনের মাঠে ম্যাচের ৫৮তম মিনিটে আমাদ দিয়ালোর বদলি হিসেবে মাঠে নেমে মাত্র ১৩ মিনিটের মধ্যে জয়সূচক গোল করেন সেস্কো। এই গোল তার গত সাত ম্যাচে ষষ্ঠ।
গোলের পেছনে বড় অবদান ছিল মাতেউস কুনিয়ারের লং পাসের। সেই পাস ধরে ব্রায়ান এমবিউমো ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বল পৌঁছে দেন সেস্কোর কাছে, যেখান থেকে সহজেই জালে বল পাঠান ইউনাইটেড ফরোয়ার্ড।
প্রথমার্ধে বলের দখল ইউনাইটেডের তুলনায় বেশি থাকা সত্ত্বেও কার্যকর আক্রমণ গড়ে তুলতে পারেনি দল। ম্যাচের শুরুতেই জেমস টারকোস্কি গোললাইন থেকে দিয়ালোর শট ক্লিয়ার করে এভারটনকে রক্ষা করেন। এরপর দিয়োগো দালট ও ব্রুনো ফার্নান্দেসের চেষ্টা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
দ্বিতীয়ার্ধে এভারটন কিছুটা আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। হ্যারিসন আর্মস্ট্রং একটি ভালো সুযোগ পেলেও গোল করতে পারেননি। শেষদিকে মাইকেল কিনের দূরপাল্লার শটকে গোলরক্ষক সেনে লামেন্স দুর্দান্ত সেভ করেন, যা ইউনাইটেডকে লিগে মার্চের পর প্রথম অ্যাওয়ে ক্লিন শিট এনে দেয়।
এই জয়ের ফলে ছয় ম্যাচে পাঁচটি জয় নিয়ে ইউনাইটেড এখন চতুর্থ স্থানে অবস্থান করছে। ২৭ ম্যাচে তাদের সংগ্রহ ৪৮ পয়েন্ট, যা তৃতীয় স্থানে থাকা অ্যাস্টন ভিলার থেকে মাত্র তিন পয়েন্ট কম। অন্যদিকে, এভারটনের ২৭ ম্যাচে সংগ্রহ ৩৭ পয়েন্ট, নবম স্থানে রয়েছে তারা।
সাম্প্রতিক ম্যাচের পরিসংখ্যান
| দল | ম্যাচ | জয় | ড্র | হার | গোল | পয়েন্ট | স্থান |
|---|---|---|---|---|---|---|---|
| ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড | 27 | 14 | 6 | 7 | 42 | 48 | 4 |
| অ্যাস্টন ভিলা | 27 | 15 | 5 | 7 | 40 | 51 | 3 |
| এভারটন | 27 | 10 | 7 | 10 | 32 | 37 | 9 |
এই হারের ফলে এভারটনের ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় খেলার আশা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। নতুন হিল ডিকিনসন স্টেডিয়ামে ডেভিড ময়েসের দল টানা সাত ম্যাচ ধরে জয়হীন, যা সমর্থকদের জন্য উদ্বেগের বিষয়।
ম্যানইউর এই ফর্ম অব্যাহত থাকলে সিজনের শেষ পর্যায়ে শীর্ষ তিনে প্রবেশের জন্য তাদের সুযোগ আরও দৃঢ় হবে। সমর্থকরা বিশেষ করে সেস্কোর কার্যকারিতার দিকে নজর রাখছেন, যিনি বদলি নামেই দলের খেলা বদলে দিতে সক্ষম।
