খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫ই নভেম্বর ২০২২, ১২:৫৪ পিএম
নুরুল আমিন তালুকদার যিনি এন আই খান নামেও পরিচিত। একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ ও সংসদ -সদস্য ছিলেন। তিনি ৬ষ্ঠ, ৭ম, ও ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নেত্রকোণা-৩ আসন থেকে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন।
Table of Contents
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতা, সংসদে তিনবার নির্বাচিত, মুক্তিযোদ্ধা ও সফল ব্যবসায়ী।
২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৬ সালে নেত্রকোণা জেলার আটপাড়া উপজেলার দেওশ্রী গ্রামের তালুকদার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা আব্দুল মৌলা তালুকদার ও মাতা খুর্শেদা মৌলা তালুকদার ছিলেন। ১৯৬০ সালে তিনি জাহাঙ্গীরপুর টি আমীন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেন।
১৯৭০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমএ প্রথম বর্ষে পড়ুয়া অবস্থায় সাব-ইনসপেক্টর হিসেবে পুলিশে যোগ দেন, পরবর্তীতে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে (পুলিশ) রূপ দেন। স্বাধীনতা সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা নিয়ে তিনি ১১ নম্বর সেক্টারের কোম্পানি কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৯২ সালে সরকারি চাকরি ছাড়ার পর ১৯ জুন ১৯৯৫ তারিখে বিএনপির দলে যোগদান করেন এবং দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটিতে নির্বাচিত হন।
তিনি নেত্রকোণা-৩ আসন থেকে ধারাবাহিকভাবে তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন:
রাজনীতির পাশাপাশি তিনি একজন সফল ব্যবসায়ী হিসেবেও পরিচিত ছিলেন, যিনি রেইনবো গ্রুপ-এর চেয়ারম্যান ছিলেন। ব্যবসা, কৃষি ও সমাজকল্যাণে তার অবদান বহু মানুষের জীবন উন্নয়নে সাহায্য করেছে।
১৯৭৫ সালের ১১ আগস্ট তিনি শিল্পপতি গোলাম কাদেরের বড় কন্যা খাদিজা কাদেরকে বিয়ে করেন। দম্পতির তিন ছেলে – রায়হান আমীন রনি, ফারহান আমীন রবিন ও আদনান আমীন ইভান – সন্তানসন্ততি।
নিরন্তর কর্মজীবনের পর, নুরুল আমিন তালুকদার ৪ জুন ২০০৩ সালে ভারতের নয়াদিল্লীর স্কট হার্ট ইনস্টিটিউট ও রিসার্চ সেন্টারে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

নুরুল আমিন তালুকদার ছিলেন একাধারে মুক্তিযোদ্ধা, সরকারি কর্মকর্তা, সফল ব্যবসায়ী ও বিএনপির ত্রি–বার সংসদ সদস্য। তার রাজনৈতিক সাহস, নেত্রকোণার উন্নয়নের পথে অবদান এবং পারিবারিক মূল্যবোধ তাকে একটি সম্মানিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
মন্তব্য