ব্রেকিং নিউজ :
মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন

দেশ

ঢাকায় কারাবন্দির হাসপাতালে মৃত্যু

খবরওয়ালা ডেস্ক

প্রকাশ: ১৫ই এপ্রিল ২০২৬, ৩:৫ পিএম

ঢাকায় কারাবন্দির হাসপাতালে মৃত্যু

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক প্রবীণ বন্দির মৃত্যু হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা আনুমানিক ছয়টার দিকে ৭৩ বছর বয়সী খান মো. তোরাব আলী নামের ওই বন্দিকে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আকস্মিক এই মৃত্যুকে ঘিরে কারা প্রশাসন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রাথমিকভাবে স্বাভাবিক আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করছে বলে জানিয়েছে।

কারা কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কারাগারে থাকা অবস্থায় হঠাৎ করেই ওই বন্দির শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কারারক্ষীরা তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে তাকে দ্রুত চিকিৎসা সহায়তার জন্য ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই বা পৌঁছানোর পরপরই তার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক হয়ে পড়ে এবং চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিদর্শক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, হাসপাতালে আনার পর জরুরি বিভাগে তার শারীরিক পরীক্ষা করা হয়, কিন্তু ততক্ষণে তার জীবনাবসান ঘটে। পরে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয় ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করার জন্য।

কারা সূত্রে জানা যায়, নিহত বন্দি খান মো. তোরাব আলী মানিকগঞ্জ জেলার মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার চরহিজুলী গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দি হিসেবে কারাগারে আটক ছিলেন। তার বিরুদ্ধে মানিকগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা ছিল, যা ১৯৯১ সালের ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত। ওই মামলায় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারা অনুযায়ী তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

কারা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তিনি বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। বয়সজনিত দুর্বলতা ও দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতা তার অবস্থার অবনতির কারণ হতে পারে বলে ধারণা করা হলেও, মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। পুরো বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং নিয়ম অনুযায়ী প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হবে।

এ ধরনের ঘটনায় সাধারণত কারা প্রশাসন একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন তৈরি করে এবং সংশ্লিষ্ট আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে থাকে। একই সঙ্গে মৃতদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের আগে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়।

নিচে নিহত বন্দির সংক্ষিপ্ত তথ্য উপস্থাপন করা হলো—

বিষয়তথ্য
নামখান মো. তোরাব আলী
বয়স৭৩ বছর
অবস্থানঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার
মামলার ধরনহত্যা মামলা
মামলার সাল১৯৯১
দণ্ডমৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত
মৃত্যুর সময়মঙ্গলবার, সন্ধ্যা আনুমানিক ছয়টা
মৃত্যুর স্থানঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

কারা প্রশাসন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ উভয়ই জানিয়েছে, ঘটনার প্রতিটি ধাপ প্রচলিত নিয়ম ও আইন অনুযায়ী সম্পন্ন করা হচ্ছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মন্তব্য