ব্রেকিং নিউজ :
মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন

দেশ

টানা বিদ্যুৎবিহীনতায় নেটওয়ার্ক বিপর্যয়

খবরওয়ালা ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬ই মে ২০২৬, ৫:৩৯ পিএম

টানা বিদ্যুৎবিহীনতায় নেটওয়ার্ক বিপর্যয়

কুড়িগ্রামের রৌমারী ও চররাজীবপুর উপজেলায় টানা প্রায় ১১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় ভয়াবহ জনদুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যুৎ না থাকায় পুরো এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়ে, ফলে সব ধরনের যোগাযোগ ও ডিজিটাল সেবা স্থবির হয়ে যায়। বাংলালিংক, গ্রামীণফোন, রবি ও এয়ারটেলসহ সব মোবাইল অপারেটরের গ্রাহকরা এই সময়ে চরম ভোগান্তির শিকার হন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত প্রায় ১১টার দিকে ঝড়-বৃষ্টির কারণে আকস্মিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। পরে টানা মেরামত কাজের পর শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিদ্যুৎ পুনরায় চালু করা হয়। তবে বিদ্যুৎ ফিরে এলেও মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ওয়াইফাই ইন্টারনেট সেবা পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও সময় লাগে। শনিবার সকাল ৮টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত দুই উপজেলার সব মোবাইল সিমের নেটওয়ার্ক সম্পূর্ণভাবে অচল ছিল বলে স্থানীয়রা জানান।

বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় মোবাইল টাওয়ারগুলো ব্যাকআপ শক্তির ওপর নির্ভর করলেও দীর্ঘ সময় চলার মতো সক্ষমতা না থাকায় একে একে সেবা বন্ধ হয়ে যায়। একই সঙ্গে স্থানীয় ব্রডব্যান্ড সংযোগও অকার্যকর হয়ে পড়ে। এতে ব্যবসা-বাণিজ্য, ব্যাংকিং লেনদেন, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সেবা এবং জরুরি যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ জানান, এমন পরিস্থিতি এলাকায় আগে খুব কমই দেখা গেছে। বিশেষ করে অনলাইন নির্ভর ছোট ব্যবসা, বিকাশ ও নগদ লেনদেন এবং অফিসিয়াল যোগাযোগ পুরোপুরি থেমে যায়।

বিদ্যুৎ ও নেটওয়ার্ক পরিস্থিতির সারসংক্ষেপ

সময়কালঅবস্থাপ্রভাবিত সেবাকারণ
শুক্রবার রাত ১১টাবিদ্যুৎ বন্ধসব সেবা আংশিক ব্যাহতঝড় ও বিদ্যুৎ লাইনে গাছ পড়ে যাওয়া
রাত ১১টা–সকাল ৮টাদীর্ঘমেয়াদি বিদ্যুৎহীনতামোবাইল নেটওয়ার্ক দুর্বলব্যাকআপ শক্তি শেষ
সকাল ৮টা–১১টানেটওয়ার্ক সম্পূর্ণ বন্ধমোবাইল, ইন্টারনেট, ওয়াইফাইটাওয়ার অচল
সকাল সাড়ে ১০টা পরবিদ্যুৎ পুনঃস্থাপন শুরুসেবা ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধারমেরামত কাজ সম্পন্ন

রৌমারী বাজারের কম্পিউটার ব্যবসায়ী সুখবাদশা জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় পুরো রাত থেকে সকাল পর্যন্ত ব্যবসায়িক কাজ সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল। বিদ্যুৎ ফিরে এলেও নেটওয়ার্ক না থাকায় অনলাইন কার্যক্রম চালানো সম্ভব হয়নি।

দাঁতভাঙ্গা বাজারের বিকাশ এজেন্ট রিয়াজুল ইসলাম বলেন, সকাল থেকে কোনো ধরনের লেনদেন করা যায়নি। গ্রাহকরা টাকা পাঠাতে বা তুলতে এসে চরম সমস্যায় পড়েন।

চররাজীবপুরের অনলাইন ব্যবসায়ী রাশিদুল ইসলাম জানান, বিদ্যুৎ, নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট একসঙ্গে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পুরো অনলাইন ব্যবসা কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে।

এ বিষয়ে জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির রৌমারী জোনাল অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, ঝড়ের কারণে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ লাইনের ওপর গাছ পড়ে যায়। এতে নিরাপত্তাজনিত কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। পরে দ্রুত মেরামত কাজ শেষ করে পর্যায়ক্রমে বিদ্যুৎ চালু করা হয়।

স্থানীয়রা মনে করছেন, দীর্ঘমেয়াদি বিদ্যুৎ বিভ্রাট মোকাবিলায় আরও শক্তিশালী অবকাঠামো ও দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতিতে জনজীবন ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম এতটা বিপর্যস্ত না হয়।

মন্তব্য