ব্রেকিং নিউজ :
মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন

আন্তর্জাতিক

ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঝুঁকি বৃদ্ধি

খবরওয়ালা ডেস্ক

প্রকাশ: ৬ই মার্চ ২০২৬, ৬:৫৫ পিএম

ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঝুঁকি বৃদ্ধি

দীর্ঘ এক দশক ধরে ইরান মাটির নিচে ব্যাপক আকারের ‘ক্ষেপণাস্ত্র শহর’ নির্মাণ করেছিল, যা মূলত বিদেশি বিমান, ড্রোন বা রকেট হামলা থেকে তাদের অত্যাধুনিক অস্ত্রভাণ্ডার রক্ষার উদ্দেশ্যে তৈরি। তবে সাম্প্রতিক মার্কিন ও ইসরায়েলি নজরদারি এবং উত্তেজনা বৃদ্ধির ফলে এই প্রতিরক্ষা কৌশল এখন গুরুতর ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। সামরিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ভূগর্ভস্থ ঘাঁটিগুলোতে সৃষ্ট দুর্বলতা তেহরানের কৌশলগত পরিকল্পনাকে প্রশ্নের মুখে ফেলছে।

গোপনীয় তথ্য এবং স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ থেকে দেখা গেছে, এসব সুড়ঙ্গপথের প্রবেশদ্বারগুলো এখন প্রধান ঝুঁকি হিসেবে দাঁড়িয়েছে। মার্কিন ও ইসরায়েলি ড্রোন এবং যুদ্ধবিমানগুলো ঘাঁটির প্রবেশদ্বারে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালাচ্ছে। ক্ষেপণাস্ত্রবাহী ট্রাক বা লঞ্চার যখন বাইরে আসে, তখন আকাশ থেকে তা ধ্বংস করা হচ্ছে, ফলে ঘাঁটিগুলোর কার্যকারিতা মারাত্মকভাবে কমে গেছে।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, কিছু সুড়ঙ্গের মুখে সরাসরি আঘাতের কারণে মাটির নিচে আটকেছে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও সরঞ্জাম। এর ফলে আন্ডারগ্রাউন্ড স্টোরেজের ওপর নির্ভরশীল কৌশল কার্যকর থাকছে না। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, শিরাজ, ইসফাহান, তাবরিজ ও কেরমানশাহ অঞ্চলের কিছু ভূগর্ভস্থ ঘাঁটি ইতিমধ্যে একাধিকবার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। ২০২৫ সালের মার্চে ইরান তাদের একটি বৃহৎ আন্ডারগ্রাউন্ড ফ্যাসিলিটির ভিডিও প্রকাশ করেছিল ক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য, তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে তা তেমন কার্যকর হচ্ছে না।

সামরিক বিশ্লেষকরা বলছেন, মাটির নিচ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ প্রযুক্তিগতভাবে জটিল। এক জায়গায় বড় মজুদ রাখলে আঘাতের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। তাই ইরান বর্তমানে কৌশল পরিবর্তন করে ট্রাক-মাউন্টেড লঞ্চার ও ক্ষেপণাস্ত্রগুলো খোলা জায়গায় ছড়িয়ে দিচ্ছে।

পেন্টাগন এবং ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক কয়েক দিনে ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার হার কিছুটা কমেছে। এর পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে তারা দেখছেন ক্ষতিগ্রস্ত ঘাঁটি এবং তেহরানের রক্ষিত ২,৫০০–৬,০০০ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ।

নিচের টেবিলে ইরানের মূল ভূগর্ভস্থ ঘাঁটির অবস্থা ও সাম্প্রতিক হামলার তথ্য সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:

শহর/অঞ্চলপ্রধান ভূগর্ভস্থ ঘাঁটির অবস্থাসাম্প্রতিক হামলাকার্যক্রমের পরিবর্তন
শিরাজআন্ডারগ্রাউন্ড বাংকারএকাধিক আঘাতখোলা জায়গায় ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন
ইসফাহানগোপন সুড়ঙ্গপথলক্ষ্যবস্তুরক্ষিত ক্ষেপণাস্ত্র সরানো
তাবরিজআন্ডারগ্রাউন্ড সুবিধাআংশিক ক্ষতিগ্রস্তক্ষেপণাস্ত্র ছড়িয়ে দেওয়া
কেরমানশাহসুড়ঙ্গ ও গুহাএকাধিক আক্রমণখোলা এলাকায় স্থাপন

বর্তমান পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক কৌশলে নতুন সমীকরণ সৃষ্টি করেছে। ভূগর্ভস্থ ঘাঁটির ওপর নির্ভরতা কমানো এবং ক্ষেপণাস্ত্রের ছড়িয়ে দেওয়া এখন ইরানের প্রধান কৌশল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। নতুন এই কৌশল নিরাপত্তা ঝুঁকি কমাতে এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

শুধু প্রতিরক্ষা নয়, ইরান সম্ভাব্য আক্রমণের প্রতিক্রিয়া ও দ্রুত ক্ষেপণাস্ত্র বিতরণের জন্যও কৌশল পরিবর্তন করছে, যা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের নজর এড়িয়ে যাচ্ছে না।

মন্তব্য