খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ২৪ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২:৩১ পিএম

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, মেয়াদ শেষ হওয়া সিটি করপোরেশন এবং স্থানীয় সরকার অঞ্চলে নির্বাচনের আগে আয়োজন করা হবে। মন্ত্রী জানান, সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান সচল রাখার জন্য নির্বাচন প্রক্রিয়াকে সময়মতো ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করা হবে।
মঙ্গলবার নিউজ টোয়েন্টিফোরকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মন্ত্রী বলেন, “যেসব সিটি করপোরেশনের মেয়াদ আগে শেষ হবে, সেসব এলাকায় নির্বাচন আগে হবে। বিশেষভাবে ঢাকা দক্ষিণ, ঢাকা উত্তর এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচন প্রথমে আয়োজন করা হবে। এরপর ধাপে ধাপে অন্যান্য সিটি করপোরেশন ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন সম্পন্ন হবে।”
মন্ত্রী আরও জানান, স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রতীকের ব্যবহার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আগামী ১২ মার্চের প্রথম সংসদ অধিবেশনে। তিনি বলেন, “দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করা হবে কি-না, তা তখনই নির্ধারণ হবে।”
স্থানীয় সরকারের কার্যকারিতা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, “রাজনৈতিক প্রশাসকরা ভালোভাবে কাজ করবে, আমলাদের চেয়ে।” এতে স্থানীয় সরকারের কর্মকাণ্ডে রাজনৈতিক নেতৃত্বের গুরুত্ব এবং প্রশাসনিক দক্ষতার সমন্বয় তুলে ধরা হয়েছে।
নীচের টেবিলে মেয়াদ শেষ হওয়া সিটি করপোরেশন ও প্রাথমিক নির্বাচনের সময়সূচি সংক্ষেপে উপস্থাপন করা হলোঃ
| সিটি করপোরেশন | মেয়াদ শেষের তারিখ | প্রাথমিক নির্বাচন পর্যায় |
|---|---|---|
| ঢাকা দক্ষিণ | ২০২৬ সালের মে | প্রথম পর্যায়ে |
| ঢাকা উত্তর | ২০২৬ সালের মে | প্রথম পর্যায়ে |
| চট্টগ্রাম | ২০২৬ সালের জুন | প্রথম পর্যায়ে |
| রাজশাহী | ২০২৬ সালের আগস্ট | পরবর্তী ধাপে |
| সিলেট | ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর | পরবর্তী ধাপে |
| খুলনা | ২০২৬ সালের অক্টোবর | পরবর্তী ধাপে |
মন্ত্রী সাক্ষাৎকারে পুনরায় জোর দিয়ে বলেন, “সকল স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান সচল রাখার জন্য নির্বাচন প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও সময়মতো সম্পন্ন করা হবে।”
এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের স্থানীয় সরকারের জন্য একটি সুস্পষ্ট নীতি নির্দেশ করছে। মেয়াদ শেষ হওয়া সিটি করপোরেশনগুলোর নির্বাচন আগে আয়োজনের ফলে নির্বাচনী কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্থানীয় স্বশাসনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি ধাপে ধাপে অন্যান্য এলাকায় নির্বাচন আয়োজন করে সমন্বিত এবং পরিকল্পিত নির্বাচন প্রক্রিয়া চালু রাখা সম্ভব হবে।
সাক্ষাৎকার থেকে স্পষ্ট হয় যে, কেন্দ্রীয় সরকার নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সমন্বয়ের মাধ্যমে কার্যকর করার দিকে মনোযোগ দিচ্ছে, যা স্থানীয় জনগণের জন্য স্বচ্ছ ও নির্ভরযোগ্য সরকারের প্রতিফলন হিসেবে কাজ করবে।
মন্তব্য