আব্দুল মান্নান | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

আব্দুল মান্নান বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ এবং বগুড়া-১ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

আব্দুল মান্নান | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

আব্দুল মান্নান | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

জন্ম ও শিক্ষাজীবন

আব্দুল মান্নানের পৈতৃক বাড়ি বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলার হিন্দুকান্দি এলাকায়। তিনি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচিত ভিপি ছিলেন।

কর্মজীবন

পেশায় ব্যবসায়ী আব্দুল মান্নান রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয় ভাবে যুক্ত আছেন।

 

google news
গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন

 

রাজনৈতিক জীবন

আব্দুল মান্নান ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। তিনি ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে বগুড়া-১ আসনের সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। আশির দশকের গোড়ার দিকে তিনি সরাসরি যুক্ত হন ঢাকার ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে। অতঃপর ১৯৮৩-৮৫ সালে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ছাত্র রাজনীতি শেষে তিনি যোগ দেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে। প্রথমে সহ-প্রচার সম্পাদক, পরে প্রচার সম্পাদক এবং অতঃপর সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে তিনি এই গৌরবময় সংগঠনটির নেতৃত্বে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখেন। ২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনে বগুড়া-১ আসন থেকে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত। 

মৃত্যু

আব্দুল মান্নান ২০২০ সালের ১৮ জানুয়ারি ৬৬ বছর বয়সে ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।

সংসদ সদস্য:

সংসদ সদস্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে পার্লামেন্ট বা জাতীয় সংসদে সরকার কিংবা বিরোধীদলীয় সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। এর ইংরেজি প্রতিরূপ হচ্ছে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ বা ‘এমপি’ এবং বাংলায় ‘সংসদ সদস্য’ কিংবা ‘সাংসদ’। এছাড়া, ফরাসী ভাষায় সংসদ সদস্যকে ‘ডেপুটি’ নামে অভিহিত করা হয়।

 

আব্দুল মান্নান | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

 

পরিচিতি

সংসদীয় গণতন্ত্রে একজন সংসদ সদস্য আইন-প্রণয়ন বিশেষতঃ রাষ্ট্রীয় আইন ও নাগরিক অধিকার প্রণয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সাধারণ অর্থে নির্দিষ্ট সংসদ কিংবা জাতীয় সংসদের সদস্যই এমপি বা সংসদ সদস্য হিসেবে আখ্যায়িত হন।

বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দ্বি-স্তরবিশিষ্ট সংসদীয় গণতন্ত্র রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে – উচ্চ কক্ষ এবং নিম্ন কক্ষ। সেক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি হিসেবে ‘সংসদ সদস্য’ পদটি নিম্নকক্ষের জন্য প্রযোজ্য। সচরাচর জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্য পদটি উচ্চ কক্ষে ভিন্ন পদে উপস্থাপন ও চিহ্নিত করা হয়। উচ্চ কক্ষ হিসেবে সিনেটে সংসদ সদস্য তখন তিনি ‘সিনেটর’ পদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

অবস্থান

সংসদ সদস্য হিসেবে ব্যক্তিকে প্রাথমিকভাবে দলের সদস্যরূপে তাঁর অবস্থানকে নিশ্চিত করতে হয়। পরবর্তীতে দলীয় সভায় মনোনয়নের মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও জনমতের যথার্থ সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিফলনে তিনি এমপি হিসেবে নির্বাচিত হন। কখনোবা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অভাবে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে থাকেন। সাধারণতঃ সংসদ সদস্য কোন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সদস্য হয়ে থাকেন। দলীয়ভাবে মনোনয়নলাভে ব্যর্থ হলে কিংবা দলীয় সম্পৃক্ততা না থাকলেও ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী’ হিসেবে অনেকে নির্বাচিত কিংবা মনোনীত সংসদ সদস্য হন।

সংসদ সদস্যকে অনেকে ‘সাংসদ’ নামেও ডেকে থাকেন। তবে, নিত্য-নৈমিত্তিক বা প্রাত্যহিক কর্মকাণ্ডে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ হিসেবে সংসদ সদস্যকে ‘এমপি’ শব্দের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত আকারে ব্যবহার করা হয়। বর্তমানকালে প্রচারমাধ্যমে সাধারণ অর্থেই এমপি শব্দের প্রয়োগ লক্ষ্যণীয়।

আরও দেখুনঃ

Leave a Comment