আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিন নদভী | বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ

আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিন নদভী বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার রাজনীতিবিদ ও চট্টগ্রাম-১৫ (লোহাগাড়া-সাতকানিয়া) আসনের সংসদ সদস্য। ইসলামিক স্কলার হিসেবেও তার পরিচিতি রয়েছে।

আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিন নদভী | বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ

 

আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিন নদভী | বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ

 

প্রাথমিক জীবন

আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিন নদভী ১৫ আগস্ট ১৯৬৮ সালে চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার মাদার্শা ইউনিয়নে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা আবুল বারাকাত মুহাম্মাদ ফয়জুল্লাহ এবং মাতা রহিমা খাতুন।

রাজনৈতিক ও কর্মজীবন

নদভী আল্লামা ফজলুল্লাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের (আইআইইউসি) অধ্যাপক ছিলেন। তিনি ২০১৪ সালের দশম ও ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে চট্টগ্রাম-১৫ (লোহাগাড়া-সাতকানিয়া) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

তিনি ধর্ম মন্ত্রণালয় সম্পর্কীয় সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের গভর্নর।

নদভী সোস্যাল ইসলামি ব্যাংক লিমিটেড ও ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেডের শরীয়াহ বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেডের শরীয়াহ বোর্ডের সদস্য। তিনি সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয় পরিচালিত শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ান ট্রাস্টের সদস্য এবং ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ছিলেন। এছাড়াও ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক রিলিফ অর্গানাইজেশন বাংলাদেশ শাখার নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও সৌদি আরবের রিয়াদস্থ ইন্টারন্যাশনাল লীগ ফর ইসলামিক লিটারেচার এর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

 

google news
গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন

 

সংসদ সদস্য:

সংসদ সদস্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে পার্লামেন্ট বা জাতীয় সংসদে সরকার কিংবা বিরোধীদলীয় সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। এর ইংরেজি প্রতিরূপ হচ্ছে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ বা ‘এমপি’ এবং বাংলায় ‘সংসদ সদস্য’ কিংবা ‘সাংসদ’। এছাড়া, ফরাসী ভাষায় সংসদ সদস্যকে ‘ডেপুটি’ নামে অভিহিত করা হয়।

পরিচিতি

সংসদীয় গণতন্ত্রে একজন সংসদ সদস্য আইন-প্রণয়ন বিশেষতঃ রাষ্ট্রীয় আইন ও নাগরিক অধিকার প্রণয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সাধারণ অর্থে নির্দিষ্ট সংসদ কিংবা জাতীয় সংসদের সদস্যই এমপি বা সংসদ সদস্য হিসেবে আখ্যায়িত হন।

বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দ্বি-স্তরবিশিষ্ট সংসদীয় গণতন্ত্র রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে – উচ্চ কক্ষ এবং নিম্ন কক্ষ। সেক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি হিসেবে ‘সংসদ সদস্য’ পদটি নিম্নকক্ষের জন্য প্রযোজ্য। সচরাচর জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্য পদটি উচ্চ কক্ষে ভিন্ন পদে উপস্থাপন ও চিহ্নিত করা হয়। উচ্চ কক্ষ হিসেবে সিনেটে সংসদ সদস্য তখন তিনি ‘সিনেটর’ পদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

 

আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিন নদভী | বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ

অবস্থান

সংসদ সদস্য হিসেবে ব্যক্তিকে প্রাথমিকভাবে দলের সদস্যরূপে তাঁর অবস্থানকে নিশ্চিত করতে হয়। পরবর্তীতে দলীয় সভায় মনোনয়নের মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও জনমতের যথার্থ সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিফলনে তিনি এমপি হিসেবে নির্বাচিত হন। কখনোবা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অভাবে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে থাকেন। সাধারণতঃ সংসদ সদস্য কোন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সদস্য হয়ে থাকেন। দলীয়ভাবে মনোনয়নলাভে ব্যর্থ হলে কিংবা দলীয় সম্পৃক্ততা না থাকলেও ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী’ হিসেবে অনেকে নির্বাচিত কিংবা মনোনীত সংসদ সদস্য হন।

সংসদ সদস্যকে অনেকে ‘সাংসদ’ নামেও ডেকে থাকেন। তবে, নিত্য-নৈমিত্তিক বা প্রাত্যহিক কর্মকাণ্ডে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ হিসেবে সংসদ সদস্যকে ‘এমপি’ শব্দের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত আকারে ব্যবহার করা হয়। বর্তমানকালে প্রচারমাধ্যমে সাধারণ অর্থেই এমপি শব্দের প্রয়োগ লক্ষ্যণীয়।

আরও দেখুনঃ

Leave a Comment