জি- লাইভ ডেস্ক
প্রকাশ: ২ই জুলাই ২০২৬, ১:৩০ পিএম

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরো এক দফা বাড়লো। স্থানীয় বাজারে খাঁটি স্বর্ণের (তেজাবি সোনা) মূল্য বৃদ্ধির কারণে দেশের জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এই নতুন দর নির্ধারণ করেছে। বাজুসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এবার সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা। আজ বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে নতুন এই দাম সারা দেশে কার্যকর করা হয়েছে।
বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির এক জরুরি সভায় এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি সাধারণ মানুষকে জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের বাজারে স্থানীয় খাঁটি সোনার দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্বর্ণের মূল্যে এই সমন্বয় করা হয়েছে।
নতুন এই মূল্য সমন্বয়ের ফলে ক্রেতাদের এখন থেকে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের গহনা কিনতে হলে ভ্যাটসহ মোট ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা গুনতে হবে। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সংগতি রেখে এবং দেশীয় বাজারের সরবরাহ পরিস্থিতি বিবেচনা করে বাজুস নিয়মিত স্বর্ণের এই দাম নির্ধারণ করে থাকে।
সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের পাশাপাশি অন্যান্য মানের স্বর্ণের দামেও পরিবর্তন এসেছে। সাধারণত ২২ ক্যারেটের পাশাপাশি ২১ ক্যারেট, ১৮ ক্যারেট এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দামও আনুপাতিক হারে সমন্বয় করে থাকে বাজুস। তবে জুয়েলারি মালিকদের দাবি, স্থানীয় বাজারে খাঁটি সোনার সংকট এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণেই বারবার দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ওঠানামা করছে।
হঠাৎ করে স্বর্ণের দাম এভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ ক্রেতা ও বিয়ে-শাদির কেনাকাটা করতে আসা সাধারণ মানুষ বেশ বিপাকে পড়েছেন। জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা জানান, দাম বাড়ার কারণে বাজারে ক্রেতাদের আনাগোনা কিছুটা কমে যেতে পারে, তবে আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতির ওপর তাদের কোনো হাত নেই। স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে দাম কমার তেমন কোনো সম্ভাবনা নেই বলেও মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
মন্তব্য