ব্রেকিং নিউজ :
মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন

আন্তর্জাতিক

সৌদি আরবে এক সপ্তাহে বৃহৎ গ্রেপ্তার অভিযান

খবরওয়ালা ডেস্ক

প্রকাশ: ২১ই জুন ২০২৬, ৩:৪৭ পিএম

সৌদি আরবে এক সপ্তাহে বৃহৎ গ্রেপ্তার অভিযান

সৌদি আরবে আবাসন, শ্রম এবং সীমান্ত নিরাপত্তা সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে এক সপ্তাহে মোট ১৫ হাজার ২৮৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্রের বরাতে স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধ, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং শ্রমবাজারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে এই ব্যাপক ধরপাকড় পরিচালিত হয় বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশ আবাসন বা বসবাস সংক্রান্ত বিধি লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত। বৈধ অনুমতি ছাড়া অবস্থান করা, মেয়াদোত্তীর্ণ নথি ব্যবহার করা কিংবা নিয়ম ভেঙে বসবাসের অভিযোগে ৭ হাজার ৮৬৪ জনকে আটক করা হয়। দ্বিতীয় বৃহত্তম অংশ সীমান্ত নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, যেখানে ৪ হাজার ৫৭৬ জনকে আটক করা হয়েছে অবৈধভাবে প্রবেশ বা প্রবেশের চেষ্টা করার সময়।

এছাড়া শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ২ হাজার ৮৪৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে অনুমতিবিহীনভাবে কর্মসংস্থান, নিয়োগের শর্ত ভঙ্গ এবং শ্রম সংক্রান্ত বৈধ কাগজপত্র না থাকার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। একই সময়ে অবৈধভাবে দেশে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় আরও ১ হাজার ৬৬৮ জনকে হাতেনাতে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ প্রতিবেশী দেশের নাগরিক। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এদের মধ্যে প্রায় ৫৩ শতাংশ ইথিওপিয়ার, ৪৬ শতাংশ ইয়েমেনের এবং বাকি ১ শতাংশ অন্যান্য দেশের নাগরিক। সীমান্ত এলাকায় টহল জোরদার এবং আধুনিক নজরদারি ব্যবস্থার মাধ্যমে এসব অনুপ্রবেশের চেষ্টা শনাক্ত করা হয় বলে জানিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী।

অন্যদিকে, অবৈধভাবে সৌদি আরব থেকে পার্শ্ববর্তী দেশে যাওয়ার চেষ্টা করার সময় আরও ৫৪ জনকে আটক করা হয়েছে। পাশাপাশি অবৈধ অভিবাসীদের সহায়তার অভিযোগে ২৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ হলো তারা অবৈধভাবে বসবাসকারীদের আশ্রয় দেওয়া, কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা কিংবা পরিবহন ও যাতায়াতে সহায়তা করেছে।

সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কঠোর সতর্কবার্তায় জানিয়েছে, অবৈধভাবে প্রবেশ বা অবস্থানে সহায়তা করা গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। পাশাপাশি অপরাধে ব্যবহৃত যানবাহন, সম্পদ এবং অন্যান্য সরঞ্জাম বাজেয়াপ্ত করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের মতে, এই ধরনের বৃহৎ পরিসরের অভিযান শুধুমাত্র আইন প্রয়োগ নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে অভিবাসন ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রিত ও শৃঙ্খলিত করার একটি অংশ। বিশেষ করে শ্রমবাজারে স্বচ্ছতা আনা এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই অভিযানের প্রধান লক্ষ্য।

নিরাপত্তা বাহিনী সাধারণ জনগণকে আহ্বান জানিয়েছে, তারা যেন কোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপ বা অবৈধ অভিবাসন সংক্রান্ত তথ্য দ্রুত কর্তৃপক্ষকে জানান। এতে আইন প্রয়োগ কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে এবং দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা সম্ভব হবে বলে মনে করছে প্রশাসন।

নিচে গ্রেপ্তার সংক্রান্ত পরিসংখ্যান উপস্থাপন করা হলো—

ধরনসংখ্যা
আবাসন আইন লঙ্ঘন৭,৮৬৪
সীমান্ত নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘন৪,৫৭৬
শ্রম আইন লঙ্ঘন২,৮৪৮
অবৈধ প্রবেশের চেষ্টা১,৬৬৮
অবৈধ প্রস্থান চেষ্টাকারী৫৪
সহায়তাকারী ব্যক্তি২৪
মোট১৫,২৮৮

বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের ধারাবাহিক অভিযান সৌদি আরবের অভিবাসন নীতিকে আরও কঠোর ও নিয়ন্ত্রিত কাঠামোর দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এতে একদিকে যেমন অবৈধ অভিবাসন কমানোর লক্ষ্য রয়েছে, অন্যদিকে শ্রমবাজারে বৈধতা ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠাও নিশ্চিত করা হচ্ছে।

মন্তব্য