ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য নারীদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে ছয়বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া। ১২ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে ঘোষিত দলে যুক্ত হয়েছেন মাত্র একটি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলা ২০ বছর বয়সী লুসি হ্যামিল্টন। একইসঙ্গে দলে ফিরেছেন অভিজ্ঞ ব্যাটার গ্রেস হ্যারিস ও অলরাউন্ডার আনাবেল সাদারল্যান্ড।
অস্ট্রেলিয়া দলের নেতৃত্বে থাকবেন সোফি মলিনেক্স। স্কোয়াডে ব্যাটিং, পেস ও স্পিন—তিন বিভাগেই অভিজ্ঞতা ও ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। মার্চে ক্যারিবীয় সফরের দল থেকে বাদ পড়া গ্রেস হ্যারিস ও আনাবেল সাদারল্যান্ডকে আবারও দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে, এই স্কোয়াডে জায়গা পাননি ডার্সি ব্রাউন।
পেস আক্রমণে অস্ট্রেলিয়ার দলে রয়েছে অভিজ্ঞ ও তরুণদের মিশ্রণ। এলিসে পেরি, মেগান শুট এবং কিম গার্থের মতো অভিজ্ঞ বোলারদের পাশাপাশি সুযোগ পেয়েছেন লুসি হ্যামিল্টন, যিনি সম্প্রতি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অভিষেক করেছেন। মার্চে ভারতের বিপক্ষে টেস্ট ও ওয়ানডেতে অভিষেকের পর এখন পর্যন্ত তিনি একটি মাত্র টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন, সেটিও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে।
স্পিন বিভাগে নেতৃত্ব দেবেন অধিনায়ক সোফি মলিনেক্স। তার সঙ্গে রয়েছেন আলানা কিং, অ্যাশলে গার্ডনার এবং জর্জিয়া ওয়ারহ্যাম। সহ-অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন অ্যাশলে গার্ডনার এবং তালিয়া ম্যাকগ্রা।
ট্রাভেলিং রিজার্ভ হিসেবে রাখা হয়েছে তালিয়া উইলসনকে।
অস্ট্রেলিয়া নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ স্কোয়াড
| খেলোয়াড় | ভূমিকা |
|---|---|
| সোফি মলিনেক্স | অধিনায়ক, অলরাউন্ডার/স্পিনার |
| অ্যাশলে গার্ডনার | সহ-অধিনায়ক, অলরাউন্ডার |
| তালিয়া ম্যাকগ্রা | সহ-অধিনায়ক, অলরাউন্ডার |
| এলিসে পেরি | অলরাউন্ডার |
| নিকোলা কেরি | উইকেটকিপার/অলরাউন্ডার |
| কিম গার্থ | পেস বোলার |
| লুসি হ্যামিল্টন | পেস বোলার |
| আলানা কিং | লেগ স্পিনার |
| গ্রেস হ্যারিস | ব্যাটার |
| ফোবি লিচফিল্ড | ব্যাটার |
| জর্জিয়া ভল | ব্যাটার |
| বেথ মুনি | উইকেটকিপার ব্যাটার |
| মেগান শুট | পেস বোলার |
| আনাবেল সাদারল্যান্ড | অলরাউন্ডার |
| জর্জিয়া ওয়ারহ্যাম | লেগ স্পিনার/অলরাউন্ডার |
ট্রাভেলিং রিজার্ভ: তালিয়া উইলসন (উইকেটকিপার ব্যাটার)
এই স্কোয়াডে অভিজ্ঞতার পাশাপাশি তরুণ প্রতিভার সমন্বয় দেখা গেছে। বিশেষ করে লুসি হ্যামিল্টনের অন্তর্ভুক্তি দলে নতুন পেস বিকল্প হিসেবে গুরুত্ব পাচ্ছে, যেখানে তিনি সীমিত আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা নিয়েই বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা করে নিয়েছেন।
