ব্রেকিং নিউজ :
মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন

অর্থনীতি

কিস্তি পরিশোধের প্রতিটি ধাপেই জটিলতা: রূপালী ব্যাংক জানাল অভ্যন্তরীণ সীমাবদ্ধতার কথা

খবরওয়ালা ডেস্ক

প্রকাশ: ৭ই ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৫৮ এএম

কিস্তি পরিশোধের প্রতিটি ধাপেই জটিলতা: রূপালী ব্যাংক জানাল অভ্যন্তরীণ সীমাবদ্ধতার কথা

রূপালী ব্যাংক সম্প্রতি জানিয়েছে, এসএস পাওয়ারের বিদেশি ঋণ পরিশোধ প্রক্রিয়ায় বেশ কয়েকটি জটিল ধাপ অতিক্রম করতে হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ছিল ফরেন কারেন্সি (এফসি) অ্যাকাউন্ট। ব্যাংকের কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, এফসি অ্যাকাউন্টে অর্থ ক্রেডিট করা যায়, কিন্তু ডেবিট করা সম্ভব নয়, যা পরিশোধ প্রক্রিয়ায় বড় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে। ফলস্বরূপ, ডিএসএএ-তে সরাসরি অর্থ প্রেরণ করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প ছিল না।

রূপালী ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসএস পাওয়ার যে অর্থ প্রদান করে, তা থেকেই প্রয়োজনীয় ডলার ক্রয় করা হয়। অর্থাৎ ঋণ পরিশোধের প্রতিটি কিস্তি মূলত প্রকল্প কর্তৃপক্ষের প্রদত্ত অর্থ থেকে পরিচালিত হয়েছে। ব্যাংক আরও জানিয়েছে, যেহেতু বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদনের জন্য চিঠি পাঠিয়েছে, তাই বাকি কিস্তি পাঠানোর আগে অবশ্যই প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেওয়া হবে।

ঋণ পরিশোধ প্রক্রিয়ার সংক্ষিপ্ত বিবরণ

ধাপকার্যপ্রক্রিয়া
এফসি অ্যাকাউন্টঅর্থ ক্রেডিট করা যায়, কিন্তু ডেবিট করা যায় না
ডিএসএএকিস্তি পরিশোধের জন্য নির্ধারিত অ্যাকাউন্ট
ডিএসআরএপর্যাপ্ত তহবিল না থাকলে এখান থেকে অর্থ কাটা হয়
ডলার ক্রয়এসএস পাওয়ার প্রদত্ত অর্থ ব্যবহার করে করা হয়

ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলেন, পুরো প্রক্রিয়াটি জটিল হলেও, ঋণ পরিশোধের কিস্তি নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সম্পন্ন করতে হয়েছে। কারণ, নির্ধারিত সময় অতিক্রম করলে প্রকল্পটি ঋণচুক্তি লঙ্ঘনের ঝুঁকিতে পড়তে পারত। তাই দ্রুত অর্থ প্রেরণ করা ছিল সময়োপযোগী ও প্রয়োজনীয়।

রূপালী ব্যাংকের পক্ষ থেকে আরও জোর দিয়ে জানানো হয়েছে যে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন না পাওয়া সত্ত্বেও তারা ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো নিয়ম ভঙ্গ করেননি। বরং এটি মূলত টেকনিক্যাল সীমাবদ্ধতার কারণে ঘটেছে, যার ফলে নির্দিষ্ট ধাপগুলো ঠিকমত সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংক এখনও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য প্রকাশ করেনি। তবে রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, অনুমোদন পাওয়ার পর বাকি কিস্তি দ্রুত পাঠানো সম্ভব হবে।

এই প্রক্রিয়ার বিস্তারিত বিশ্লেষণ দেখায় যে, বিদেশি ঋণ পরিশোধ শুধু অর্থ লেনদেনের বিষয় নয়, বরং প্রযুক্তিগত ও নিয়ন্ত্রক সীমাবদ্ধতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ জটিলতা নিয়ে কাজ করার একটি প্রক্রিয়া। ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সমস্ত ধাপ যতটা সম্ভব স্বচ্ছ ও নিয়ম অনুসারে পরিচালিত হয়েছে।

এভাবেই রূপালী ব্যাংক নিশ্চিত করছে যে, দেশের ঋণপ্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের ঝুঁকি নেই এবং প্রতিটি কিস্তি সময়মতো ও নিরাপদে পরিশোধ হচ্ছে।

মন্তব্য