
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল করার চেষ্টা চললেও নতুন করে মৃত্যু ও সংক্রমণের খবর জনমনে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, একই সময়ে দেশে নতুন করে ১১৬ জন শিশুর শরীরে হাম সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৭১০ জনে। সংক্রমণের এই ধারাবাহিকতা বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে ঝুঁকি বাড়াচ্ছে বলে স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৯৪১ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। ফলে ১৫ মার্চ থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৯ হাজার ২০৭ জনে। এই বিপুল সংখ্যক সন্দেহভাজন রোগী স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করছে।
মৃত্যুর পরিসংখ্যানেও উদ্বেগজনক চিত্র দেখা যাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কোনো মৃত্যুর ঘটনা না ঘটলেও হামের উপসর্গ নিয়ে চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬১৯ জনে। একই সময়ে পরীক্ষায় নিশ্চিত হামে মোট ৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
হাম পরিস্থিতির কারণে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে রোগীর চাপ এখনো অব্যাহত রয়েছে। একই সময়সীমায় সন্দেহজনক হাম রোগে আক্রান্ত হয়ে ৮২ হাজার ৮৪৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৭৯ হাজার ১৫২ জন। তবে এখনো হাজারো শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে, যাদের অনেকের অবস্থাই নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
হাম সাধারণত একটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসজনিত রোগ, যা বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে মারাত্মক জটিলতা তৈরি করতে পারে। উচ্চ জ্বর, শরীরে র্যাশ, কাশি ও চোখে প্রদাহ এর প্রধান লক্ষণ হিসেবে দেখা দেয়। সময়মতো চিকিৎসা না পেলে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া কিংবা অন্যান্য জটিলতায় মৃত্যুঝুঁকি বাড়ে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত শনাক্ত করে চিকিৎসার আওতায় আনার কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে। অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, তারা যেন শিশুদের নির্ধারিত সময়ে পূর্ণ টিকা নিশ্চিত করেন এবং উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
বর্তমান পরিস্থিতিতে জনসচেতনতা বাড়ানোকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, টিকা গ্রহণ ও দ্রুত চিকিৎসা ব্যবস্থার সঙ্গে জনসচেতনতা বাড়লে এ ধরনের সংক্রমণ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
> রাজধানী ঢাকায় তীব্র লোডশেডিং: বিদ্যুৎ ঘাটতি ও নগরবাসীর ভোগান্তি
> বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে সরকারের প্রকাশ্যে সমালোচনা করলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল নেতা
> বাংলাদেশের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের সুপারিশ
> কক্সবাজার আদালত চত্বরে গুলিবর্ষণের ঘটনায় বিএনপি নেতা লিয়াকত মেম্বার কারাগারে
> ১৫ শতাংশ ঘুষ না দেওয়ায় ফরিদপুরে ঠিকাদারের হাত ভাঙার অভিযোগ
> হোটেল অলিও মামলায় খালাস ‘বোমারু মামুন’ সাভারের ঘটনায় আবারও আলোচনায়, আটক সহযোগী
> টেকনাফে ট্রাক ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে দুই যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু
> রাজশাহীতে জমি নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২০
> ইনু মামলার রায় ঘিরে বিচারব্যবস্থার পরীক্ষা
> সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস শাখা, ঠিকানা ও ফোন নম্বর
> ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দের তালিকা ও ফোন নম্বর
> প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর দেশের ভাবমুর্তি ক্ষতিগ্রস্থ করেছে
> করিয়ারদিয়ায় মাছের ঘের দখলচেষ্টা, অস্ত্রসহ দুইজন জনতার হাতে আটক
> বানরের আতঙ্কে ভীত লালবাজারবাসী ডিসি বরাবর আবেদন
> চাটখিলে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় যুবকের মৃত্যুদণ্ড
> আওয়ামী লীগের ৭৭ বছরের রাজনৈতিক গৌরবগাথা ও সংগ্রাম
> ফুলগাজীতে টিন কেটে ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রীকে হাত-পা বেঁধে হত্যা
© কপিরাইট ২০২৬ খবরওয়ালা। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
মন্তব্য