খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ২৭ই মে ২০২৬, ১২:৪৬ এএম

চাদ সীমান্তবর্তী সুদানের আল-টিনা শহরে ড্রোন হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের এক সরকারি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে আরব নিউজ।
মঙ্গলবার (২৬ মে) সংঘটিত এই হামলার জন্য বিদ্রোহী আধাসামরিক গোষ্ঠী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)-কে দায়ী করা হচ্ছে। হামলার পর উদ্ধারকাজ শুরু হলে ঘটনাস্থল থেকে অন্তত ১৪টি মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, যিনি নিরাপত্তাজনিত কারণে নাম প্রকাশ করেননি।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, নিহতদের মধ্যে অধিকাংশই নারী। তারা আল-টিনা শহরের একটি বাজার এলাকায় খাবার ও চা বিক্রির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলাটি ওই বাজার এলাকায় নারীদের একটি সমাবেশকে লক্ষ্য করে চালানো হয়, যেখানে তারা পণ্য বিক্রি করছিলেন।
হামলার পর স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নেন। পরে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয়ভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়। আহতদের সংখ্যা বা তাদের বর্তমান অবস্থার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
আল-টিনা শহরটি চাদ সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত এবং সুদানের দারফুর অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতির দিক থেকে সংবেদনশীল এলাকা হিসেবে পরিচিত। সাম্প্রতিক সময়ে এই অঞ্চলে সামরিক সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
সুদানের সেনাবাহিনী এবং র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)-এর মধ্যে চলমান সংঘর্ষের কারণে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে, বিশেষ করে বেসামরিক এলাকা, বাজার ও জনবসতিতে হামলার ঘটনা নিয়মিতভাবে ঘটছে। এই সংঘর্ষের ফলে দেশটিতে মানবিক সংকট আরও গভীর হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা জানিয়েছেন।
বিভিন্ন সূত্র অনুযায়ী, চলমান এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত ২ লাখের বেশি মানুষ হতাহত হয়েছেন। একই সঙ্গে বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে সীমান্তবর্তী দেশগুলোতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন।
আল-টিনায় সাম্প্রতিক ড্রোন হামলার পর স্থানীয় পর্যায়ে নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। সীমান্তবর্তী এই অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তথ্য ও ক্ষয়ক্ষতির সঠিক চিত্র পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে বলে স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে।
ঘটনার পর থেকে এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা
মন্তব্য