ব্রেকিং নিউজ :
মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন

আন্তর্জাতিক

শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় বিশ্ব বাবা দিবস উদযাপিত

খবরওয়ালা ডেস্ক

প্রকাশ: ২১ই জুন ২০২৬, ২:৪৮ পিএম

শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় বিশ্ব বাবা দিবস উদযাপিত

‘বাবা’, ‘ড্যাড’ বা ‘পাপা’—যে নামেই সম্বোধন করা হোক না কেন, এই একটি শব্দের মধ্যেই নিহিত থাকে পরম ভরসা, নিরাপত্তা এবং নিঃশর্ত ভালোবাসা। সন্তানের জীবনের প্রথম পথপ্রদর্শক, কঠিন সময়ের নীরব শক্তি এবং আজীবন ছায়ার মতো পাশে থাকা মানুষটিই হলেন বাবা। ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ ও নির্ভরতার প্রতীক বাবাদের প্রতি শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা ও সম্মান জানাতে প্রতি বছর জুন মাসের তৃতীয় রোববার বিশ্বব্যাপী ‘বিশ্ব বাবা দিবস’ পালন করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় আজ (২১ জুন) বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় ও ভালোবাসায় পালিত হচ্ছে। এই বিশেষ দিনে সন্তানরা বাবাকে বিভিন্ন উপহার দেন, পরিবারের সঙ্গে গুণগত সময় কাটান এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাবার সঙ্গে কাটানো স্মৃতিচারণ ও ভালোবাসার বার্তা প্রকাশ করেন।

বাবা দিবসের ইতিহাস ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি

বিশ্ব বাবা দিবসের আনুষ্ঠানিক যাত্রার পেছনে রয়েছে এক দীর্ঘ ইতিহাস। ১৯০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম ভার্জিনিয়ার ফেয়ারমন্টে প্রথমবারের মতো বাবাদের স্মরণে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। তবে দিবসটিকে প্রাতিষ্ঠানিক ও বিশ্বজুড়ে পরিচিত রূপ দেওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান ওয়াশিংটনের বাসিন্দা সোনোরা স্মার্ট ডড-এর।

সোনোরা স্মার্ট ডড-এর মা অল্প বয়সেই মারা যান। এরপর তাঁর বাবা, গৃহযুদ্ধের সৈনিক উইলিয়াম জ্যাকসন স্মার্ট একাই সোনোরাসহ তাঁর আরও পাঁচ ভাইবোনকে অত্যন্ত স্নেহ ও মমতায় বড় করে তোলেন। বাবার এই অসাধারণ ত্যাগ, কষ্ট ও দায়িত্ববোধ দেখে সোনোরা অনুপ্রাণিত হন। তিনি অনুভব করেন, মায়েদের সম্মানে যেমন ‘মা দিবস’ রয়েছে, ঠিক তেমনি বাবাদের ত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ একটি বিশেষ দিন থাকা উচিত। তাঁর এই আন্তরিক উদ্যোগ ও প্রচেষ্টার ফলে ১৯১০ সালের ১৯ জুন প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে বাবা দিবস পালন করা হয়।

পরবর্তী সময়ে দিবসটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে স্বীকৃতি পাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। নিচে এর রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির ঐতিহাসিক সময়রেখা তুলে ধরা হলো:

সালসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানগৃহীত পদক্ষেপ ও গুরুত্ব
১৯১৩যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসবাবা দিবসকে জাতীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য প্রথম উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
১৯২৪প্রেসিডেন্ট ক্যালভিন কুলিজদিবসটি দেশব্যাপী পালনের প্রতি আনুষ্ঠানিক সমর্থন জানান।
১৯৬৬প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি. জনসনপ্রতি বছর জুন মাসের তৃতীয় রোববারকে অফিশিয়ালি বাবা দিবস হিসেবে পালনের ঘোষণা দেন।
১৯৭২প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনএকটি আইনে স্বাক্ষরের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে বাবা দিবসকে স্থায়ী জাতীয় দিবস হিসেবে পূর্ণ স্বীকৃতি দেন।

বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য

বর্তমানে বাংলাদেশসহ বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই জুন মাসের এই তৃতীয় রোববারকে বিশ্ব বাবা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। তবে ভৌগোলিক অবস্থান, স্থানীয় সংস্কৃতি ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের কারণে কিছু কিছু দেশে ভিন্ন তারিখেও এই দিবসটি উদযাপিত হয়ে থাকে। যেমন—স্পেন, পর্তুগাল ও ইতালির মতো ক্যাথলিক প্রধান দেশগুলোতে ১৯ মার্চ সেন্ট জোসেফ দিবসে বাবা দিবস পালন করা হয়। আবার থাইল্যান্ডে সাবেক রাজা ভূমিবল অতুল্যতেজের জন্মদিন ৫ ডিসেম্বরে এই দিবসটি পালিত হয়।

তারিখের ভিন্নতা যাই থাকুক না কেন, দিবসটির মূল সুর ও তাৎপর্য সর্বত্রই এক। বছরের প্রতিটি দিনই বাবার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের সুযোগ থাকে, তবে যান্ত্রিক জীবনের ব্যস্ততার মাঝে এই বিশেষ দিনটি সন্তানকে আরও একবার মনে করিয়ে দেয় বাবার অবদানকে স্মরণ করার কথা। বাবার ত্যাগকে মূল্যায়ন করা এবং তাঁর হাতটি শক্ত করে ধরে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার একটি অনন্য মাধ্যম এই বিশ্ব বাবা দিবস।

মন্তব্য