খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ১২ই এপ্রিল ২০২৩, ১০:৫৯ এএম

আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন করতে হলে ট্যানারি শ্রমিকদের পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তায় শোভন কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করতে ১০ দফা সুপারিশ করা হয়েছে।
রাজধানীর একটি হোটেলে ট্যানারী ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন ও সলিডারিটি সেন্টার-বাংলাদেশ অফিসের উদ্যোগে কোয়ালিশন বিল্ডিং ও এডভোকেসি বিষয়ে এক সভায় এই দশ দফা সুপারিশ পেশ করা হয়।
ট্যানারী ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন (টিডব্লিউইউ) সভাপতি আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্ব অনুষ্ঠিত সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সলিডারিটি সেন্টার- বাংলাদেশ অফিস-এর কান্ট্রি প্রোগ্রাম ডিরেক্টর একেএম নাসিম।
দেশের ট্যানারী শিল্প ও শ্রমিকদের বর্তমান পরিস্থিতি ওপর মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন সলিডারিটি সেন্টার- বাংলাদেশ অফিস-এর প্রোগ্রাম অফিসার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম।

এতে আলোচনায় অংশ নেন শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ)-এর প্রবীণ শ্রমিক নেতা শহীদুল্লাহ চৌধুরী, ডা,ওয়াজেদুল ইসলাম খান, আনোয়ার হোসেন, মোসাম্মৎ শামীম আরা, নইমুল ইসলাম খান জুয়েল, এডভোকেট শারমিন সুলতানা প্রমুখ।
সভায় ট্যানারী শ্রমিকদের পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি উন্নয়নে সেইফটি কমিটি গঠন ও কার্যক্রম জোরদার করা এবং পরিদর্শন কার্যক্রম জোরদার করা সহ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা, চামড়া শিল্প নগরীতে ৫০ শয্যাবিশিষ্ট একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা, প্রসূতি কল্যাণ সুবিধার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা, সোশ্যাল কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও সিইটিপিকে পুরোপুরি কার্যকর করার মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক চামড়া শিল্প নগরী গড়ে তুলে লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপ (এলডব্লিউজি)-এর সনদ অর্জনের পথ অগ্রসর করার সুপারিশ করা হয়।

এছাড়া শিল্পের স্বার্থে অবিলম্বে দক্ষ ও অভিজ্ঞ শ্রমিককে চাকুরীচ্যুত না করা, রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্সবিহীন বে-আইনী ঠিকাদারের মাধ্যমে কাজ না করানো , ট্রেড ইউনিয়নের সদস্য হওয়ার স্বাধীনতায় এবং আইন দ্বারা স্বীকৃত ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার চর্চায় প্রশাসনিক এখতিয়ার বহির্ভূত হস্তক্ষেপ না করা, বাজারের সাথে সামঞ্জস্য রেখে ২০২৪ সালের মধ্যে মজুরী বোর্ড গঠন এবং প্রতিটি কারখানায় সরকার ঘোষিত নি¤œতম মজুরী কাঠামো বাস্তবায়ন করাসহ ট্যানারী কারখানাগুলোতে শ্রম আইনের সকল ধারা বাস্তবায়নে দ্রুত ও কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য সুপারিশ করা হয়।
মন্তব্য