রুমিন ফারহানা বড় ব্যবধানে জিতলেন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগর আংশিক) আসনে বড় ব্যবধানে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা বিজয়ী হয়েছেন। হাঁস প্রতীকে প্রার্থী রুমিন ১৫১ কেন্দ্রে মোট ১ লাখ ১৭ হাজার ৪৯৫ ভোট পেয়ে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবকে (খেজুরগাছ প্রতীকে) ৩৭ হাজার ৫৬৮ ভোটে পরাজিত করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টার দিকে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আবু বকর সরকার বেসরকারিভাবে বিজয়ীর নাম ঘোষণা করেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৯৯ হাজার ৪৪৮, যার মধ্যে ভোট পড়েছে ৪৪.৮ শতাংশ

নিচের টেবিলে নির্বাচনের মূল তথ্য উপস্থাপন করা হলো:

প্রার্থী নামপ্রতীকমোট ভোটভোটের ব্যবধান (বিজয়ী থেকে)
রুমিন ফারহানাহাঁস১,১৭,৪৯৫
মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবখেজুরগাছ৭৯,৯২৭৩৭,৫৬৮
অন্যান্য ৬ প্রার্থীবিভিন্নপ্রায় ২০,০০০

ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে মোট ৯ জন প্রার্থী থাকলেও ভোটের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ৮ জন। মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা ও বিএনপি জোটের প্রার্থী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব ছিলেন। এর আগে জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য জিয়াউল হক মৃধা গত রোববার নির্বাচনের থেকে সরে দাঁড়ান।

ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সাধারণভাবে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। তবে, একটি কেন্দ্রে দুই প্রার্থীর কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটায় ভোটগ্রহণ সাময়িকভাবে ৫ মিনিট বন্ধ রাখা হয়। এছাড়া দুই কেন্দ্রে কেন্দ্র পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা দেখা দেয়।

দুর্ভাগ্যবশত, সরাইল উপজেলা সদরের কাচারিপাড়া মিলনায়তন ভোটকেন্দ্রে সকাল ৮টার দিকে ২ নং বুথের পোলিং কর্মকর্তা মো. মুজাহিদুল ইসলাম (৪৮) হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে পড়েন। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

এভাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে রুমিন ফারহানার বড় ব্যবধানে বিজয় এবং শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের পাশাপাশি সামান্য উত্তেজনা ও দুঃখজনক ঘটনা নির্বাচন প্রক্রিয়ার এক সংক্ষিপ্ত ইতিহাস হিসেবে চিহ্নিত হলো।