খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ই মার্চ ২০২৫, ৩:৪৯ পিএম

সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা মিয়ানমারের লেতপানহ্লা গ্রামে বিমান হামলা চালিয়ে অন্তত ১২ জনকে হত্যা করেছে সেনাবাহিনী।
স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের দাবি, এই হামলা ছিল সম্পূর্ণ পরিকল্পিত এবং লক্ষ্যবস্তু ছিল বেসামরিক নাগরিক। সহজ ভাষায় বললে, জান্তা বাহিনী যেন বলছে—”যুদ্ধে জয় চাই? সাধারণ মানুষকে টার্গেট করো!”
বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, শুক্রবার বিকেলে মান্দালয় শহর থেকে ৬০ কিলোমিটার উত্তরে পিপলস ডিফেন্স ফোর্সেস (পিডিএফ)-এর নিয়ন্ত্রিত গ্রামটিতে হামলা চালানো হয়। ওই সময় স্থানীয়রা বাজারে যাচ্ছিলেন, আর জান্তা বাহিনী ঠিক তখনই তাদের উপর বোমাবর্ষণ করে। যেন তাদেরও কেনাকাটার তালিকায় ছিল: বিস্ফোরণ, ধ্বংসস্তূপ এবং ভয়!
২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমারে গৃহযুদ্ধ তীব্র হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, বেসামরিক জনগণকে নিশানা করে জান্তা বাহিনীর বিমান হামলা এখন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর যেন জান্তা বাহিনীর সামরিক নীতির মূল সূত্র হয়ে গেছে: “যদি কিছু না বোঝো, তাহলে বোমা ফেলো!”
একজন স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা, যিনি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক (কারণ, আপনি জানেন… বেঁচে থাকার ইচ্ছেটা মানুষের থাকে), জানিয়েছেন, “লোকজন যখন বাজারে যাচ্ছিল, তখনই হামলা হয়েছে। এতটাই আচমকা ছিল যে অনেকেই পালানোর সুযোগও পায়নি।”
শনিবার পর্যন্ত ১২ জন নিহতের তালিকা তৈরি করা হয়েছে, তবে বাস্তবে সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। এখন বাকি আছে শুধু জান্তা বাহিনীর বয়ান, যেখানে তারা হয়তো দাবি করবে—“আমরা ভুল করে বাজারকে বিদ্রোহী ক্যাম্প ভেবেছি!”
মন্তব্য