ব্রেকিং নিউজ :
মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন

দেশ

ঢামেকে দালালচক্রের বিরুদ্ধে বড় অভিযান

খবরওয়ালা ডেস্ক

প্রকাশ: ৪ই মে ২০২৬, ২:৫৮ পিএম

ঢামেকে দালালচক্রের বিরুদ্ধে বড় অভিযান

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় দালালচক্রের বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান পরিচালনা করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সোমবার সকালে হাসপাতালের ২ নম্বর ভবনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একযোগে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে প্রায় অর্ধশত ব্যক্তিকে আটক করা হয়, যাদের বিরুদ্ধে রোগী ও তাদের স্বজনদের বিভ্রান্ত করে অবৈধভাবে বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠানোর অভিযোগ রয়েছে।

অভিযানটি পরিচালনা করে শাহবাগ থানা পুলিশ এবং জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা সংশ্লিষ্ট একটি বিশেষ দল। সকাল থেকেই হাসপাতাল এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয় এবং বিভিন্ন স্থানে অবস্থানরত সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়। পরবর্তীতে চিহ্নিত ব্যক্তিদের মধ্যে প্রায় অর্ধশতজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, আকস্মিক এই অভিযানের কারণে হাসপাতাল চত্বরে কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। আটক ব্যক্তিদের ছাড়িয়ে নিতে কিছু লোক জড়ো হওয়ার চেষ্টা করলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পুলিশ সূত্র জানায়, আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতাল এলাকায় সংঘবদ্ধভাবে দালালির কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। তারা রোগীদের ভুল তথ্য দিয়ে হয়রানি করত এবং অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবার দিকে নিয়ে যেত। এতে সাধারণ রোগী ও তাদের স্বজনরা আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিলেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল দেশের সবচেয়ে বড় সরকারি চিকিৎসা কেন্দ্র হওয়ায় এখানে প্রতিদিন হাজারো রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। এই বিপুল রোগীর চাপকে কাজে লাগিয়ে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। এর আগে একাধিকবার অভিযান চালানো হলেও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।

অভিযানের পর সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয় এবং আটক ব্যক্তিদের বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি প্রদান করা হয়। তবে কার কত মেয়াদে শাস্তি হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নিয়মিত ও সমন্বিত অভিযান চালানো হলে দালালচক্রের তৎপরতা অনেকাংশে কমে আসবে এবং রোগীদের হয়রানি হ্রাস পাবে। পাশাপাশি হাসপাতাল এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দীর্ঘমেয়াদি নজরদারি ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে।

অভিযানের একটি সংক্ষিপ্ত চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো—

বিষয়বিবরণ
অভিযানের সময়সোমবার সকাল
স্থানঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ২ নম্বর ভবনসহ বিভিন্ন এলাকা
আটক ব্যক্তির সংখ্যাপ্রায় অর্ধশত
অভিযানে অংশ নেয়শাহবাগ থানা পুলিশ, জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা সংশ্লিষ্ট দল
পরবর্তী ব্যবস্থাভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক শাস্তি
শাস্তির বিস্তারিত তথ্যআনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি

সংশ্লিষ্টদের মতে, এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে হাসপাতাল এলাকায় রোগী ও স্বজনদের ভোগান্তি উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে এবং চিকিৎসা পরিবেশ আরও স্বাভাবিক ও সুশৃঙ্খল হবে।

মন্তব্য