খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ই সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪৩ পিএম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে মুসলিম বিশ্বের আট দেশের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক চলাকালে গাজায় আবারও ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।
মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার পর্যন্ত গাজা নগরী ও উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় বিমান হামলা ও ট্যাংকের গোলাবর্ষণে অন্তত ৮৪ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে নিউইয়র্কে আয়োজিত বৈঠকে অংশ নেন সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসর, জর্ডান, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তানের নেতারা। বৈঠকে তারা গাজার ভয়াবহ মানবিক পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরে যুদ্ধবিরতি, মানবিক ত্রাণ প্রবেশের নিশ্চয়তা এবং বন্দীদের মুক্তির দাবি জানান। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশ্য অবস্থান ইসরায়েলের প্রতি প্রত্যক্ষ সমর্থনমূলক হওয়ায় এ নিয়ে সমালোচনা তীব্র হয়েছে।
ফিলিস্তিনি প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, গাজা নগরীর উপকণ্ঠে ট্যাংকের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। এছাড়া আল-কুদস ও আল-শিফা হাসপাতালের কাছেও ট্যাংক মোতায়েন করা হয়েছে, যা হাসপাতালগুলোর ওপর সম্ভাব্য হামলার শঙ্কা বাড়িয়েছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের আক্রমণের পর থেকে চলমান ইসরায়েলি আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত ৬৫ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন অন্তত দেড় লাখ মানুষ।
ফরাসি দূত ওফার ব্রনসটাইন জানিয়েছেন, শিগগিরই কয়েকটি দেশ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিতে পারে। অন্যদিকে, ইস্তাম্বুল জাইম ইউনিভার্সিটির শিক্ষক সামি আল-আরিয়ান অভিযোগ করে বলেন— “গাজা নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্য ছলনাময়। মার্কিনরা কোনোভাবেই সৎ মধ্যস্থতাকারী নয়, বরং আগ্রাসনে তাদেরও প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা রয়েছে।”
মন্তব্য