জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বুধবার কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং (সি অ্যান্ড এফ) এজেন্ট লাইসেন্সিং বিধিমালা, ২০২৬ জারি করেছে। এটি পূর্বের কাস্টমস এজেন্ট লাইসেন্সিং বিধিমালা, ২০২০-এর জায়গা নেবে এবং আমদানি ও রপ্তানিকারকদের জন্য সেবা মান উন্নয়নের পাশাপাশি প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিশ্চিত করবে।
এনবিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কাস্টমস আইন, ২০২৩-এর ধারাবাহিকতায় ৮ জানুয়ারি এই নতুন বিধিমালা প্রণয়ন ও প্রজ্ঞাপন করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই পূর্বে সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট লাইসেন্স প্রদানের জন্য কোনো স্বতন্ত্র বিধিমালা ছিল না; কেবল ২০২০ সালের বিধিমালার ওপর নির্ভর করা হতো। নতুন বিধিমালার মাধ্যমে সি অ্যান্ড এফ এজেন্টের কার্যক্রমকে আরও সহজ, যুগোপযোগী ও স্বচ্ছভাবে পরিচালনার সুযোগ তৈরি করা হয়েছে।
এনবিআর নতুন বিধিমালার উল্লেখযোগ্য দিকসমূহ নিম্নরূপ তুলে ধরেছে:
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| লাইসেন্স প্রার্থী | পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সব যোগ্য প্রার্থী লাইসেন্স গ্রহণ করতে পারবেন। |
| স্টেশনভিত্তিক অনুমোদন | পূর্বের ন্যায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড থেকে স্টেশনভিত্তিক অনুমোদন গ্রহণের প্রয়োজন নেই। |
| বার্ষিক পরীক্ষা | লাইসেন্স প্রদানের জন্য নিয়মিত পরীক্ষা প্রতি বছর নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠিত হবে। |
| বন্ধ কাস্টমস স্টেশন | কোনো স্থল কাস্টমস স্টেশন বন্ধ হলেও পূর্বে ইস্যুকৃত লাইসেন্স কার্যকর থাকবে। |
| অধিকৃত ক্ষেত্র ব্যবহার | লাইসেন্সধারীরা অন্য সচল কাস্টমস স্টেশনে ক্লিয়ারিং ও ফরোয়ার্ডিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন। |
এনবিআরের মতে, নতুন বিধিমালার লক্ষ্য কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং কার্যক্রমকে যুগোপযোগী করা এবং প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও সহজলভ্য করা। বিশেষভাবে, লাইসেন্সধারীরা স্টেশনভিত্তিক সীমাবদ্ধতার বাইরে গিয়ে যেকোনো সচল কাস্টমস স্টেশনে কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ পাবেন।
নতুন বিধিমালার মাধ্যমে লাইসেন্স প্রক্রিয়া আরও দ্রুত, নির্ভুল ও দক্ষ হবে। এটি আমদানি ও রপ্তানিকারকদের জন্য সময় ও খরচ বাঁচাতে সাহায্য করবে এবং সি অ্যান্ড এফ সেবার মান উন্নত করবে। এনবিআর আশা করছে যে, এই পদক্ষেপ দেশের বাণিজ্যিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও স্বচ্ছ করবে।
