ব্রেকিং নিউজ :
মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন

আন্তর্জাতিক

ট্রাম্পকে ইরানে হামলার অস্বীকার করল চাপ সৌদি আরব

খবরওয়ালা ডেস্ক

প্রকাশ: ২ই মার্চ ২০২৬, ১:৫২ পিএম

ট্রাম্পকে ইরানে হামলার অস্বীকার করল চাপ সৌদি আরব

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইরানে সামরিক হামলার জন্য গোপনে চাপ দেওয়ার অভিযোগে প্রকাশিত ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন সরাসরি অস্বীকার করেছে সৌদি আরব। ওয়াশিংটনে নিযুক্ত সৌদি দূতাবাসের মুখপাত্র ফাহাদ নাজার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, সৌদি আরব সবসময় কূটনৈতিক উপায়ে ইরানের সঙ্গে বিশ্বাসযোগ্য চুক্তি প্রতিষ্ঠার পক্ষে কাজ করেছে। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগে প্রেসিডেন্টকে ভিন্ন নীতি গ্রহণের জন্য প্রভাবিত করা হয়নি।

ফাহাদ নাজার আরও বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক সংঘাত এড়াতে সৌদি আরব নিয়মিত উদ্যোগ নিয়েছে। সম্ভাব্য যুদ্ধে অংশ না নেওয়ার অবস্থান সৌদি সরকার আগেই প্রকাশ করেছে। তিনি ২৬ জানুয়ারি সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে টেলিফোন আলাপের তথ্য তুলে ধরেন। আলাপে যুবরাজ জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক হামলায় সৌদি আরবের আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহার দেওয়া হবে না।

এরপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ চালানো হয়। অভিযানের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইরান প্রতিবেশী দেশগুলোর দিকে হামলা শুরু করে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অভিযানের ফলে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনিসহ শীর্ষ পর্যায়ের বহু কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।

রোববার রাতে যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব, বাহরাইন, জর্ডান, কুয়েত, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত এক যৌথ বিবৃতিতে ইরানের কূটনৈতিক ও সামরিক আচরণকে কঠোরভাবে সমালোচনা করেছে। তারা উল্লেখ করেছে, ইরানের হামলা স্থানীয় দেশ এবং বেসামরিক নাগরিকদের জন্য গুরুতর হুমকি তৈরি করছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সৌদি আরবের প্রকাশিত অবস্থান কূটনৈতিক সতর্কতা এবং আন্তর্জাতিক চাপের অংশ। উপসাগরীয় দেশগুলো এখন উভয়পক্ষের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখে নিজেদের ভূখণ্ড ও নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে।

নিচের টেবিলে সাম্প্রতিক পরিস্থিতি সংক্ষেপে উপস্থাপন করা হলো:

বিষয়বিবরণ
দাবিকারী সংবাদওয়াশিংটন পোস্ট
সৌদি আরবের অবস্থানপ্রেসিডেন্টকে হামলার জন্য চাপ দেওয়া হয়নি
দূতাবাসের মন্তব্যকূটনৈতিক প্রচেষ্টার পক্ষে অবস্থান নেওয়া হয়েছে
যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের আলাপইরানের বিরুদ্ধে আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহার দেওয়া হবে না
যৌথ সামরিক অভিযানযুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’
ইরানের প্রতিক্রিয়াপ্রতিবেশী দেশগুলোতে হামলা চালানো শুরু
শীর্ষ পর্যায়ের ক্ষতিআলী খামেনিসহ বহু কর্মকর্তা নিহত
যৌথ বিবৃতিযুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব, বাহরাইন, জর্ডান, কুয়েত, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাতের সমালোচনা

উপসংহারে, সৌদি আরব স্পষ্ট করে জানিয়েছে, তারা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর জন্য প্রভাবিত করার কোনো চেষ্টা করেনি। উপসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করাই সৌদি আরবের প্রধান লক্ষ্য। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, ইরান–যুক্তরাষ্ট্র–সৌদি সম্পর্কের এই উত্তেজনা কূটনৈতিক ও সামরিক পদক্ষেপের জটিলতার প্রতিফলন, যা পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলের জন্য সতর্কতার সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এই অবস্থার মধ্যে, কূটনৈতিক সংলাপ এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখন সকল পক্ষের জন্য সর্বোচ্চ গুরুত্ব পেয়েছে, যা ভবিষ্যতে অঞ্চলটির স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মন্তব্য