ব্রেকিং নিউজ :
মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন

দেশ

ছয় জেলায় সেনা মোতায়েন সিদ্ধান্ত

খবরওয়ালা ডেস্ক

প্রকাশ: ২২ই জুন ২০২৬, ৩:১৭ পিএম

ছয় জেলায় সেনা মোতায়েন সিদ্ধান্ত

আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য রাজনৈতিক কর্মসূচি, মিছিল ও সমাবেশ ঘিরে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাজধানী ঢাকা-সহ মোট ছয়টি জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-২ শাখা থেকে জারি করা এক জরুরি নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সোমবার ২২ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত নির্ধারিত এলাকাগুলোতে প্রয়োজন অনুযায়ী সেনাসদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। এই মোতায়েন কার্যক্রম মূলত বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদানের অংশ হিসেবে পরিচালিত হবে, যাতে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধ করা যায়।

সরকারি সূত্র জানায়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত কিছু সংগঠন ও তাদের সমর্থকদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্থানে অবৈধ মিছিল, সমাবেশ বা শোডাউন আয়োজনের আশঙ্কা রয়েছে। এসব কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সহিংসতা, নাশকতা কিংবা জনজীবনে বিঘ্ন ঘটার ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে এ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ নগর ও শিল্পাঞ্চল এলাকায় পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

ঢাকা, চট্টগ্রাম ও গাজীপুরের মহানগর এলাকাসহ নারায়ণগঞ্জ, গোপালগঞ্জ এবং ফরিদপুর জেলায় সেনা মোতায়েন কার্যকর থাকবে। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে সেনাবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে দ্রুত ও কার্যকরভাবে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সম্ভব হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই অঞ্চলগুলো দেশের অর্থনীতি, প্রশাসন ও রাজনৈতিক কাঠামোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এসব এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে সম্ভাব্য অস্থিতিশীলতা প্রতিরোধ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন স্বাভাবিক রাখা সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক সূত্র আরও জানায়, সেনা মোতায়েনের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী অন্যান্য বাহিনীও মাঠে সক্রিয় থাকবে। যৌথভাবে টহল, নজরদারি এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে, যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।

সেনা মোতায়েনের আওতাভুক্ত এলাকা ও সময়সূচি

এলাকাপ্রশাসনিক ধরনসময়কাল
ঢাকামহানগর এলাকা২২ জুন থেকে ৩০ জুন
চট্টগ্রামমহানগর এলাকা২২ জুন থেকে ৩০ জুন
গাজীপুরমহানগর এলাকা২২ জুন থেকে ৩০ জুন
নারায়ণগঞ্জজেলা২২ জুন থেকে ৩০ জুন
গোপালগঞ্জজেলা২২ জুন থেকে ৩০ জুন
ফরিদপুরজেলা২২ জুন থেকে ৩০ জুন

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় আরও বলা হয়, সেনাবাহিনীর মূল দায়িত্ব হবে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার সুরক্ষা প্রদান করা এবং যেকোনো ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধে সহায়তা করা। প্রয়োজনে স্থানীয় প্রশাসনের অনুরোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতাও তাদের থাকবে।

সরকার আশা করছে, এই উদ্যোগের ফলে নির্ধারিত এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকবে এবং জনগণ নিরাপদ পরিবেশে তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা অব্যাহত রাখতে পারবেন।

মন্তব্য