খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ই মার্চ ২০২৬, ১:১৫ এএম

চট্টগ্রাম মহানগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানা পুলিশ শীর্ষ সন্ত্রাসী মো. আলভিন (৩১) গ্রেফতার করেছে। আলভিন, সুপরিচিত সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের ভাগিনা, দীর্ঘদিন ধরেই পুলিশি নজরদারিতে ছিলেন এবং সরোয়ার হোসেন সাকিব ওরফে বাবলা হত্যা মামলার মূল আসামি হিসেবে পরিচিত। তার গ্রেফতারের মাধ্যমে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য পুলিশ অভিযান জোরদার করেছে।
Table of Contents
শনিবার (১৪ মার্চ) চান্দগাঁও থানার পশ্চিম ফরিদাপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বায়েজিদ বোস্তামী থানা পুলিশের একটি দল আলভিনকে আটক করে। রোববার (১৫ মার্চ) আদালতের মাধ্যমে তাকে সোপর্দ করা হয়। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার আমিনুর রশীদ জানান, আলভিন চাঁদাবাজি, একাধিক খুনোখুনি এবং সন্ত্রাসী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন।
গত বছরের ৫ নভেম্বর সন্ধ্যায় বায়েজিদ বোস্তামী থানার চালিতাতলি খন্দকারপাড়া মসজিদে মাগরিবের নামাজের পর চট্টগ্রাম-৮ আসনের বিএনপি প্রার্থী আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে গণসংযোগে বের হন। এ সময় সরোয়ার হোসেন সাকিব ওরফে বাবলা লিফলেট বিতরণ করছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সন্ধ্যা আনুমানিক ৫টা ৪০ মিনিটে আলভিনের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় সশস্ত্র একটি দল বাবলাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন। হত্যাকাণ্ডের পর বায়েজিদ বোস্তামী থানায় মামলা দায়ের করা হয় এবং পুলিশ অভিযুক্তদের খুঁজতে তৎপর হয়ে ওঠে।
পুলিশি তথ্য অনুযায়ী, আলভিন নগরের বিভিন্ন এলাকায় নির্মাণাধীন ভবন, প্রতিষ্ঠান ও দোকান থেকে চাঁদাবাজিতে লিপ্ত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে একাধিক খুনোখুনি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তার সহযোগী ও অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং তদন্ত চলমান।
| বিষয় | বিস্তারিত |
|---|---|
| গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি | মো. আলভিন (৩১) |
| সম্পর্ক | বড় সাজ্জাদের ভাগিনা |
| মামলা | সরোয়ার হোসেন সাকিব ওরফে বাবলা হত্যা মামলা |
| গ্রেফতার তারিখ | ১৪ মার্চ ২০২৬ |
| গ্রেফতারের স্থান | পশ্চিম ফরিদাপাড়া, চান্দগাঁও, চট্টগ্রাম |
| আদালতে সোপর্দ | ১৫ মার্চ ২০২৬ |
| অপরাধের ধরন | চাঁদাবাজি, খুনোখুনি, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ |
| পুলিশি পদক্ষেপ | তদন্ত চলমান, সহযোগী গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত |
শীর্ষ সন্ত্রাসী আলভিনের গ্রেফতারের মাধ্যমে চট্টগ্রামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জিত হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিস্তারিত উন্মোচন হবে এবং ভবিষ্যতে নগরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি রোধে পুলিশ ও প্রশাসন আরও সতর্ক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
মন্তব্য