ব্রেকিং নিউজ :
মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন

দেশ

কালিয়া পিআইওর বিরুদ্ধে ঘুস দাবির অভিযোগ

খবরওয়ালা ডেস্ক

প্রকাশ: ২১ই জুন ২০২৬, ৩:৪০ পিএম

কালিয়া পিআইওর বিরুদ্ধে ঘুস দাবির অভিযোগ

নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলায় একটি উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ ছাড়কে কেন্দ্র করে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে ঘুস দাবির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ ছাড়ের সময় তিনি এক লাখ টাকা দাবি করেন। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার দপ্তরে, যা স্থানীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

অভিযোগকারী মো. আ. কাদের সিকদার কালিয়া উপজেলার নড়াগাতি এলাকার বাসিন্দা। তিনি লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, নড়াগাতি মারকায ছওতুল কোরআন এবং নড়াগাতি মহিলা মাদরাসার অবকাঠামো উন্নয়ন ও নির্মাণ কাজের জন্য টিআর প্রকল্পের আওতায় সরকারি অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়। বরাদ্দপ্রাপ্ত অর্থের প্রথম কিস্তি দিয়ে ইতিমধ্যে উভয় প্রতিষ্ঠানের নির্মাণ কাজ ও মাটি ভরাটের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ উত্তোলনের প্রক্রিয়া চলাকালে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা অফিস খরচের অতিরিক্ত হিসেবে এক লাখ টাকা দাবি করেন। অভিযোগকারীর দাবি, ওই অর্থ প্রদান না করা হলে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা ছাড় দেওয়া হবে না বলেও জানানো হয়। তিনি আরও জানান, এ ঘটনার একটি ভিডিও প্রমাণ তার কাছে সংরক্ষিত রয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অন্যদিকে অভিযোগটি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মোস্তফা কামাল। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে মোট ছয় লাখ টাকার তিনটি পৃথক প্রকল্প দেওয়া হয়েছিল। প্রথম কিস্তিতে তিন লাখ টাকা উত্তোলন করা হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন হয়নি বলে তিনি দাবি করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, একটি প্রকল্পের অর্থ ইতিমধ্যে ছাড় করা হয়েছে, তবে বাকি দুটি প্রকল্পের কাজ এখনো সম্পূর্ণ হয়নি।

তিনি আরও জানান, প্রকল্পগুলোর মেয়াদ আগামী বাইশ জুন পর্যন্ত নির্ধারিত ছিল। সরকারি দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবেই তিনি কেবল প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন। তার দাবি, কোনো ধরনের ঘুস দাবি করা হয়নি এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা এ বি এম মনোয়ারুল আলম জানিয়েছেন, তিনি লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হবে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে এখনো পর্যন্ত কোনো ভিডিও প্রমাণ বা অতিরিক্ত নথি আনুষ্ঠানিকভাবে যাচাই করা হয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এ ঘটনায় স্থানীয় পর্যায়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কিছু মানুষ অভিযোগটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানাচ্ছেন। তাদের মতে, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যদিকে কেউ কেউ প্রকল্পের বাস্তবায়ন ও অর্থ ব্যবহারের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন।

এদিকে প্রশাসনিক সূত্রগুলো বলছে, তদন্তের ফলাফলের ওপরই পুরো ঘটনার প্রকৃত সত্য নির্ভর করবে। প্রাথমিক অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্য উভয়ই বিবেচনায় নিয়ে যাচাই-বাছাই শেষে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ঘটনার সারসংক্ষেপ নিচে উপস্থাপন করা হলো—

বিষয়অভিযোগকারীর বক্তব্যঅভিযুক্ত কর্মকর্তার বক্তব্য
প্রকল্প অর্থ ছাড়দ্বিতীয় কিস্তি ছাড়ে এক লাখ টাকা ঘুস দাবিকোনো ঘুস দাবি করা হয়নি
প্রকল্পের কাজনির্মাণ ও মাটি ভরাট সম্পন্নদুটি প্রকল্পের কাজ এখনো অসম্পূর্ণ
প্রমাণভিডিও প্রমাণ সংরক্ষিত রয়েছেঅভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার
প্রশাসনিক অবস্থানতদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিঅভিযোগকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলা হয়েছে

স্থানীয়দের মতে, তদন্ত দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হলে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর অবস্থান স্পষ্ট হবে।

মন্তব্য