খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫ই জুলাই ২০২৬, ৫:১২ পিএম

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগের দাবিতে রাজধানীতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে শিক্ষা ভবনের সামনে পুলিশের ব্যারিকেডের মুখে পড়েছেন আন্দোলনরত একদল শিক্ষার্থী। পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে শিক্ষা ভবনের দিকে অগ্রসর হলেও সেখানে আগে থেকেই অবস্থান নেওয়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাদের অগ্রযাত্রা থামিয়ে দেন।
বুধবার বিকেল প্রায় ৪টার দিকে শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে সংগঠিতভাবে পদযাত্রা শুরু করেন। বিভিন্ন সড়ক অতিক্রম করে তারা শিক্ষা ভবনের সামনে পৌঁছালে পুলিশের তৈরি ব্যারিকেডের সামনে অবস্থান নেন। এরপর শিক্ষার্থীরা সেখানেই অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যান এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে দেখা যায়, শিক্ষা ভবনের সামনে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন ছিল। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতে ব্যারিকেড স্থাপন করা হয়। আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড অতিক্রমের চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের সামনে এগোতে বাধা দেয়। ফলে শিক্ষা ভবনের সামনেই উভয় পক্ষের মধ্যে কিছু সময় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়নি।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের দাবি, তারা শান্তিপূর্ণভাবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্দেশ্যে পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করছিলেন এবং তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে স্মারকলিপি দেওয়া বা নিজেদের অবস্থান তুলে ধরা। অন্যদিকে, নিরাপত্তা ও জনশৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে শিক্ষা ভবনের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন এবং ব্যারিকেড স্থাপন করা হয়।
ঘটনার সময় শিক্ষা ভবনের সামনের সড়কে যান চলাচলেও কিছুটা ধীরগতি দেখা যায়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সতর্ক অবস্থানে ছিলেন এবং আন্দোলনকারীদের ব্যারিকেডের নির্ধারিত সীমার মধ্যে অবস্থান করতে অনুরোধ করেন।
সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, শিক্ষা ভবনের সামনে শিক্ষার্থীদের অবস্থান অব্যাহত ছিল। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহত, ভাঙচুর বা ব্যাপক সহিংসতার তথ্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার রাখা হয়েছে।
মন্তব্য