ব্রেকিং নিউজ :
মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন

দেশ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পারিবারিক কলহে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন

খবরওয়ালা ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ই জুন ২০২৬, ১১:২৪ পিএম

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পারিবারিক কলহে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন

কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার একটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীর ছোঁড়া ভারি শিলপাটার নৃশংস আঘাতে এক গৃহবধূর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ঘাতক স্বামীকে স্থানীয় জনতা ও আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) তাৎক্ষণিকভাবে আটক করতে সক্ষম হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) দুপুরের দিকে উখিয়া উপজেলার ১৮ নম্বর ময়নারঘোনা নামক রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এল-৩ ব্লকে এই মর্মান্তিক এবং চাঞ্চল্যকর অপরাধমূলক ঘটনাটি সংঘটিত হয়।

পারিবারিক কলহ ও ঘটনার বিবরণ

পুলিশ প্রশাসন ও ক্যাম্পের স্থানীয় বাসিন্দাদের নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, নিহত গৃহবধূর নাম মিনারা বেগম (২৯)। তিনি ১৮ নম্বর ময়নারঘোনা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এল-৩ ব্লকের বাসিন্দা মো. আবু তাহেরের স্ত্রী ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন পারিবারিক ও অনাকাঙ্ক্ষিত অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে স্বামী মো. আবু তাহের এবং স্ত্রী মিনারা বেগমের মধ্যে তীব্র বিরোধ ও মানসিক দূরত্ব চলে আসছিল। এই পূর্ববিরোধের জের ধরে শনিবার দুপুরের দিকেও তাদের দুজনের মধ্যে পুনরায় তীব্র বাকবিতণ্ডা এবং তর্কাতর্কির সৃষ্টি হয়।

এক পর্যায়ে বাকবিতণ্ডা চরম আকার ধারণ করলে স্বামী মো. আবু তাহের সম্পূর্ণ উত্তেজিত হয়ে ঘরে থাকা মসলা পেষার ভারি শিলপাটা দিয়ে মিনারার মাথা লক্ষ্য করে সজোরে আঘাত করেন। শুধু মাথা নয়, পাটার উপর্যুপরি আঘাতে মিনারার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন সংবেদনশীল অংশ মারাত্মকভাবে জখম হয়। এই সময় ঘরের ভেতর থেকে মিনারার তীব্র চিৎকার ও বাঁচার আকুতি শুনে আশেপাশের প্রতিবেশীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তারা ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে মিনারা বেগমকে মেঝের ওপর রক্তাক্ত এবং নিথর অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।

এপিবিএন পুলিশের উদ্ধার অভিযান ও ঘাতক আটক

ঘটনার পরপরই ক্যাম্পের দায়িত্বে নিয়োজিত ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নকে (এপিবিএন) বিষয়টি অবহিত করা হয়। ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক এবং police সুপার মো. রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ এই অভিযানের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রদান করেছেন। তিনি জানান, ঘটনার খবর পাওয়ার সাথে সাথেই এপিবিএন পুলিশের একটি বিশেষ চৌকস দল দ্রুততম সময়ের মধ্যে ক্যাম্পের উক্ত ব্লকের ঘটনাস্থলে গিয়ে পৌঁছায়।

পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে মিনারা বেগমকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন। সুরতহাল করার সময় নিহতের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গভীর আঘাত এবং রক্তক্ষরণের স্পষ্ট চিহ্ন লক্ষ্য করা গেছে। এপিবিএন পুলিশ ঘটনাস্থল তল্লাশি করে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত এবং রক্তমাখা শিলপাটাটি আলামত হিসেবে জব্দ করেছে। একই সাথে, পালানোর চেষ্টাকালে স্থানীয় জনতার সহযোগিতায় ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত স্বামী মো. আবু তাহেরকে আটক করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

আইনগত ব্যবস্থা ও ময়নাতদন্ত প্রক্রিয়া

এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সার্বিক আইনগত প্রক্রিয়া সম্পর্কে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুজিবুর রহমান বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি গণমাধ্যমকে জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে উদ্ধার হওয়া নিহতের মরদেহটি পরবর্তী আইনি সুরতহাল ও তদন্তের অংশ হিসেবে ময়নাতদন্তের উদ্দেশ্যে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এবং আঘাতের প্রকৃতি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানা যাবে।

তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, এই নিদারুণ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় উখিয়া থানায় একটি নিয়মিত হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি এবং আইনি প্রক্রিয়া সমান তালে চলমান রয়েছে। আটককৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আদালতে সোপর্দ করা হবে এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রয়োজনীয় সকল কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

মন্তব্য