খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫ই জুন ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম

ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির বলেছেন, ইসরায়েল কোনোভাবেই যুক্তরাষ্ট্রের অধীনস্থ নয়। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় এ মন্তব্য করেন।
বেন-গভির তার বার্তায় বলেন, ইসরায়েল একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থবিরোধী কোনো ধরনের সমঝোতা বা চুক্তি গ্রহণ করবে না। তিনি আরও জানান, হিজবুল্লাহর সক্ষমতা সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েল কোনো আপস করবে না।
তিনি উল্লেখ করেন, যেসব এলাকা থেকে ইসরায়েলি বাহিনী সশস্ত্র গোষ্ঠীর অবকাঠামো সরিয়ে দিয়েছে, সেখান থেকে সেনা প্রত্যাহারের কোনো প্রশ্নই আসে না। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, উত্তরাঞ্চলের বসতিগুলোর নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ফেলতে পারে—এমন পরিস্থিতিতে ইসরায়েল পিছু হটবে না। এছাড়া ইসরায়েলের ওপর কোনো হামলা হলে তার জবাব দেওয়া হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
অন্যদিকে, ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ট্রাম্প প্রশাসন থেকে পদত্যাগ করা ন্যাশনাল কাউন্টারটেররিজম সেন্টারের সাবেক প্রধান জো কেন্ট যুক্তরাষ্ট্র–ইরান যুদ্ধবিরতির উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি এক্সে দেওয়া পৃথক পোস্টে এ মত প্রকাশ করেন।
জো কেন্টের মতে, ইসরায়েলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও গোয়েন্দা সহায়তা স্থগিত করা হলে যুদ্ধবিরতি আরও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। তিনি দাবি করেন, অতীতেও বিভিন্ন সময়ে ইসরায়েল এমন ধরনের সমঝোতা ব্যাহত করার চেষ্টা করেছে এবং যথাযথ পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতেও একই পরিস্থিতি দেখা দিতে পারে।
| ব্যক্তির নাম | পরিচয় | মূল বক্তব্য |
|---|---|---|
| ইতামার বেন-গভির | ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী | ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের অধীন নয়; নিরাপত্তা স্বার্থবিরোধী কোনো চুক্তি গ্রহণযোগ্য নয়; হিজবুল্লাহর সক্ষমতা ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত আপস নয় |
| জো কেন্ট | যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক কাউন্টারটেররিজম প্রধান | যুক্তরাষ্ট্র–ইরান যুদ্ধবিরতি উদ্যোগ ইতিবাচক; ইসরায়েলের প্রতি সামরিক ও গোয়েন্দা সহায়তা স্থগিত হলে যুদ্ধবিরতি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে |
বেন-গভিরের বক্তব্যে ইসরায়েলের নিরাপত্তা নীতি ও সামরিক অবস্থান স্পষ্টভাবে উঠে আসে, যেখানে তিনি হিজবুল্লাহ ও সীমান্ত নিরাপত্তা ইস্যুকে কেন্দ্র করে কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। একইসঙ্গে জো কেন্টের মন্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি ও আঞ্চলিক সংঘাত নিরসনে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার প্রসঙ্গ উঠে এসেছে, যা যুদ্ধবিরতি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি নির্দেশ করে।
মন্তব্য