মোল্লা ওমর মার্কিন ঘাঁটির পাশেই থাকতেন, মোহাম্মদ ওমরকে ধরতে কত কিছুই না করেছিল যুক্তরাষ্ট্র । দেশটি একসময় তাঁকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য পুরস্কারও ঘোষণা দেন । কিন্তু ১২ বছর নিশ্চিন্তে মার্কিন সেনাদের নাকের নিচে অবস্থান করেছেন মোল্লা ওমর। স্বাভাবিক ভাবে তাঁর মৃত্যুও হয়েছে।
নেদারল্যান্ডসের অনুসন্ধানী প্রতিবেদক বেট্টে ড্যামের ‘সার্চিং ফর এন এনিমি’ বইয়ে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আজ সোমবার বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। গত ফেব্রুয়ারিতে ডাচ্ ভাষায় প্রকাশিত হয়েছে বইটি। কিছুদিনের মধ্যে ইংরেজি ভাষায় বাজারে আসবে এটি।


ওই গ্রন্থে বলা হয়, ওমর প্রতিদিন বিকেলে বিবিসির পশতু ভাষার খবর শুনতেন। তবে তিনি আল-কায়েদাপ্রধান ওসামা বিন লাদেনের মৃত্যুসংবাদ শুনে ও বাইরের জগতের বিষয়ে খুব কম মন্তব্য করতেন।
২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার পর আফগানিস্তানে তালেবান সরকারকে উৎখাতে উঠেপড়ে লাগে যুক্তরাষ্ট্র। তিন মাসের কম সময়ের মধ্যে আফগানিস্তান দখলে নেয় যুক্তরাষ্ট্র। মোল্লা-ওমরের মাথার দাম এক কোটি ডলার ঘোষণা করে ওয়াশিংটন। কিন্তু তা সত্ত্বেও মার্কিন সেনাদের নাকের ডগায় অবস্থিত একটি বাড়িতে ১২ বছর অবস্থান করেন মোল্লা-ওমর। মার্কিন বাহিনী দুবার তাঁর খুব কাছাকাছি এলেও তাঁকে খুঁজে পায়নি। একবার মার্কিন বাহিনী ঘাঁটির খুব কাছাকাছি এসে চলে যায়। আরেকবার মার্কিন সেনারা ওই বাড়িতেই তল্লাশি চালায়। কিন্তু তাঁরা মোল্লা ওমরের ঘরের গোপন কুঠুরি না খুলেই চলে যায়। ফলে, সে যাত্রাতেও ধরা পড়েন না ওমর।
২০০৪ সালে একবার স্থান পরিবর্তন করেন ওমর। তাঁর বাড়ি থেকে মাত্র কয়েক শ মিটার দূরে নির্মাণকাজ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। তিনি তাঁর দ্বিতীয় বাড়িতে চলে যান। ধরা পড়ার ভয়ে কখনো ওই জায়গা থেকে সরে যেতে সাহস করেননি ওমর। খুব কম বাইরে যেতেন। মার্কিন বিমান বাড়ির ওপর দিয়ে গেলে তিনি টানেলে লুকিয়ে থাকতেন। ড্যামের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওমর কেবল তাঁর দেহরক্ষী ও রাঁধুনির সঙ্গে কথা বলতেন। সিমকার্ড ছাড়া পুরোনো মডেলের একটি নকিয়া মোবাইল ফোন ব্যবহার করতেন তিনি।

জাব্বার ওমারি জানান, আত্মগোপনে থাকার এই সময় মোল্লা-ওমরের পক্ষে তালেবান গোষ্ঠীকে পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি। তবে তালেবান জঙ্গিরা সে সময় দাবি করতেন, তাঁরা মোল্লা ওমরের নির্দেশে কাজ করছেন।
ওয়াশিংটন বিশ্বাস করত, মোল্লা ওপর পাকিস্তানে পালিয়ে গিয়েছিলেন। তবে নতুন এই জীবনীগ্রন্থে বলা হচ্ছে, মোল্লা ওমর তাঁর নিজ প্রদেশ জাবুলে অবস্থিত একটি বড় মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থেকে তিন মাইল দূরে বসবাস করতেন। ২০১৩ সালে মৃত্যু অবধি সেখানেই ছিলেন তিনি। তিনি পরিবারের কারও সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন না। আর কাল্পনিক ভাষায় দিনপঞ্জিতে নোট লিখে রাখতেন।
বইটি লিখতে প্রায় পাঁচ বছর গবেষণা করেছেন ড্যাম। তিনি মোল্লা-ওমরের দেহরক্ষী জাব্বার ওমারির সঙ্গে কথা বলতে সক্ষম হন। ২০০১ সালে আফগানিস্তানে তালেবান সরকারের পতনের পর আত্মগোপনে চলে যান মোল্লা ওমর। সে সময় থেকে তালেবান নেতার দেহরক্ষীর দায়িত্ব পালন করেন জাব্বার ওমারি। ২০১৩ সালে অসুস্থ হয়ে স্বাভাবিক মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তালেবান নেতাকে লুকিয়ে রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন ওমারি।

> তারাকান্দায় জমি বিরোধ: মামলা করতে যাওয়ার পথে চাচাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা
> মেধার অনন্য দৃষ্টান্ত: একযোগে ট্যালেন্টপুলে কুড়িগ্রামের তিন জমজ বোন
> ৬২ দেশের নাগরিকদের ভিসামুক্ত জার্মানি প্রবেশের সুযোগ, তালিকায় নেই বাংলাদেশ
> উখিয়া সীমান্তে নগদ সাড়ে ১২ লাখ টাকাসহ আটক দুই পাচারকারী
> ওয়াশিংটন-তেহরান সংঘাত: ইরানে ফের মার্কিন বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
> জামানতহীন ঋণ ও বিশেষ তহবিল: নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য বড় ঘোষণা
> আনোয়ারায় ত্রাণ বিতরণে নাহিদ ইসলাম: ‘সরকার পারছে না, মানুষ কষ্টে আছে’
> মোহাম্মদপুরে ত্রাস সৃষ্টিকারী ‘কবজি কাটা’ গ্রুপের গ্যাংস্টার আপন অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার
> মার্কিন সমরাস্ত্রে টান: ইরান যুদ্ধের প্রভাবে পেন্টাগনে বড় সংকটের আশঙ্কা
> ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি: কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
> ইনু মামলার রায় ঘিরে বিচারব্যবস্থার পরীক্ষা
> প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর দেশের ভাবমুর্তি ক্ষতিগ্রস্থ করেছে
> করিয়ারদিয়ায় মাছের ঘের দখলচেষ্টা, অস্ত্রসহ দুইজন জনতার হাতে আটক
> ডিএনডি লেকে দুই কিশোরের মৃত্যু
> আওয়ামী লীগের ৭৭ বছরের রাজনৈতিক গৌরবগাথা ও সংগ্রাম
> একের পর এক পোশাক কারখানা বন্ধ ও শ্রমিক ছাঁটাই
> ফুলগাজীতে টিন কেটে ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রীকে হাত-পা বেঁধে হত্যা
> ইসরায়েল থেকে সামরিক সরঞ্জাম কিনেছে সৌদি ও কাতার
> সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস শাখা, ঠিকানা ও ফোন নম্বর [ Sundarban Courier Service ]
কোনো সম্পর্কিত খবর পাওয়া যায়নি.
© কপিরাইট ২০২৬ খবরওয়ালা। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
মন্তব্য