ব্রেকিং নিউজ :
মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন

খেলা

প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে বাংলাদেশ ইমার্জিং দলের বড় জয়

খবরওয়ালা ডেস্ক

প্রকাশ: ৮ই জুন ২০২৬, ১০:৪৩ পিএম

প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে বাংলাদেশ ইমার্জিং দলের বড় জয়

বাংলাদেশ ইমার্জিং দল এবং সফরকারী জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দলের মধ্যকার তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক বাংলাদেশ এক বিশাল এবং দাপুটে জয় সুনিশ্চিত করেছে। এই জয়ের সুবাদে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল বর্তমানে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। বগুড়ার ঐতিহ্যবাহী শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে জাকের হোসেনের চমৎকার সেঞ্চুরি এবং ইনিংসের শেষ দিকে সামিউন বশির রাতুলের দুর্দান্ত অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের ওপর ভর করে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল নির্ধারিত ওভারে ৩৬৪ রানের এক বিশাল ও পাহাড়সম স্কোর দাঁড় করাতে সক্ষম হয়। জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দলের সামনে জয়ের জন্য ৩৬৫ রানের আকাশচুম্বী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়। জবাবে জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দল সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৭৯ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হলে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল ৮৫ রানের এক বিশাল ব্যবধানে ম্যাচটি জিতে মাঠ ছাড়ে।

বাংলাদেশের বিশাল ইনিংস এবং জাকের-ইফতেখারের ব্যাটিং দৃঢ়তা

টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেওয়া বাংলাদেশ ইমার্জিং দলের শুরুটা এবং মাঝের ওভারগুলোর ব্যাটিং ছিল অত্যন্ত নিয়ন্ত্রিত ও আক্রমণাত্মক। দলের পক্ষে সবচেয়ে আকর্ষণীয় এবং দায়িত্বশীল ব্যাটিং পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেন জাকের হোসেন। তিনি জিম্বাবুয়ের বোলারদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করে একটি চমৎকার সেঞ্চুরি বা শতক হাঁকান, যা দলকে এক বিশাল সংগ্রহের ভিত্তি তৈরি করে দেয়। জাকের হোসেনের এই অনবদ্য সেঞ্চুরির পাশাপাশি দলের মিডল অর্ডার ব্যাটার ইফতেখার দলের পক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭০ রানের এক কার্যকরী ও ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। এই দুই ব্যাটারের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল একটি বড় স্কোরের দিকে ধাবিত হতে থাকে।

ইনিংসের শেষ মুহূর্তে বাংলাদেশ দলের সংগ্রহকে আরও সমৃদ্ধ ও আকাশচুম্বী করতে মাঠে নেমে তাণ্ডব চালান সামিউন বশির রাতুল। তিনি জিম্বাবুয়ের বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে মাত্র ১৮ বলের মুখোমুখি হয়ে অপরাজিত ৩৯ রানের একটি বিধ্বংসী ও ক্যামিও ইনিংস খেলেন। রাতুলের এই অতি দ্রুতগতির ও কার্যকর ইনিংসটির কল্যাণে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল নির্ধারিত ওভার শেষে জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দলের বিরুদ্ধে ৩৬৪ রানের এক বিশাল ও চ্যালেঞ্জিং স্কোর বোর্ডে তুলতে সমর্থ হয়। জিম্বাবুয়ের বোলাররা ইনিংসের শেষ দিকে বাংলাদেশের এই আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের মুখে সম্পূর্ণ অসহায় হয়ে পড়েন।

জিম্বাবুয়ের রান তাড়া এবং ব্যাটিং বিপর্যয়

৩৬৫ রানের এক বিশাল ও আকাশ সমান লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দলের শুরুটা কিন্তু বেশ আশাব্যঞ্জক এবং দারুণ হয়েছিল। দলের দুই উদ্বোধনী বা ওপেনিং ব্যাটার ইনোসেন্ট কায়া এবং ম্যাথু ক্যাম্পবেল মিলে বাংলাদেশি বোলারদের ওপর প্রাথমিক প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তারা মাত্র ৯.৪ ওভারে স্কোর বোর্ডে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৬০ রান তুলে সফরকারীদের পক্ষে শক্ত প্রতিরোধের একটি স্পষ্ট আভাস দিয়েছিলেন। কিন্তু এই ভালো শুরুর পর জিম্বাবুয়ে শিবিরে প্রথম আঘাত হানেন বাংলাদেশের বোলার আলিস আল ইসলাম। তিনি ওপেনার ইনোসেন্ট কায়াকে ব্যক্তিগত ২৬ রানের মাথায় এলবিডব্লুর (LBW) ফাঁদে ফেলে সাজঘরে ফেরত পাঠান।

প্রথম উইকেটের পতনের পরপরই জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দলের ব্যাটিং লাইনে এক চরম ও অপ্রত্যাশিত ছন্দপতন ঘটে। বাংলাদেশি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত ও দুর্দান্ত বোলিংয়ের মুখে সফরকারী দলটি মাত্র ৫৬ রানের ব্যবধানে তাদের মূল্যবান ৫টি উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে সম্পূর্ণভাবে ছিটকে যায়। এই নিয়মিত বিরতিতে উইকেটের পতন জিম্বাবুয়ের ম্যাচ জয়ের সম্ভাবনাকে ধূলিসাৎ করে দেয়। তবে মিডল অর্ডারে দলের অন্যতম অভিজ্ঞ ব্যাটার ওয়েসলি মাধেভেরে এক প্রান্ত আগলে রেখে একাই লড়াই চালিয়ে যান এবং পরবর্তীতে একটি লড়াকু সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। কিন্তু তার এই ব্যক্তিগত দুর্দান্ত সেঞ্চুরিটি জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দলের পরাজয় এড়াতে কোনো বড় ধরনের কাজে আসেনি, কারণ অন্য প্রান্ত থেকে তিনি যোগ্য সহযোদ্ধা বা ব্যাটারদের কাছ থেকে কোনো কার্যকর সহযোগিতা পাননি।

রাতুল ও বর্ষণের বোলিং তোপ এবং ম্যাচ জয়ের পরিসংখ্যান

জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দলের ব্যাটারদের দ্রুত সাজঘরে ফেরাতে বাংলাদেশের বোলাররা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বিশেষ করে ব্যাটিংয়ে অবদান রাখার পর বোলিংয়েও সমান পারদর্শিতা দেখান সামিউন বশির রাতুল। তিনি তার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের মাধ্যমে জিম্বাবুয়ের ৩টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট শিকার করেন। রাতুলের এই অলরাউন্ড নৈপুণ্যের পাশাপাশি বাংলাদেশের আরেক তরুণ বোলার বর্ষণও দুর্দান্ত বোলিং প্রদর্শন করে জিম্বাবুয়ের ৩টি উইকেট লাভ করেন। রাতুল এবং বর্ষণ এই দুই বোলারের নিয়ন্ত্রিত ও মারাত্মক বোলিং তোপের মুখে পড়ে শেষ পর্যন্ত জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দল ২৭৯ রানে তাদের সবকটি উইকেট হারিয়ে সম্পূর্ণভাবে গুটিয়ে যায়। ফলে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল ৮৫ রানের এক দাপুটে ও বিশাল জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে।

স্টেডিয়ামে দর্শক উপস্থিতি এবং পরবর্তী ম্যাচের সময়সূচী

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) স্থানীয় ক্রিকেট প্রেমী ও দর্শকদের মাঠে এসে খেলা দেখার প্রতি উৎসাহিত করার লক্ষ্যে বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে সম্পূর্ণ বিনা টিকিটে বা বিনামূল্যে খেলা দেখার এক বিশেষ সুযোগ করে দিয়েছিল। বিসিবির পক্ষ থেকে এমন চমৎকার ও উন্মুক্ত সুযোগ প্রদান করা সত্ত্বেও আজ শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে সাধারণ দর্শক ও ক্রিকেট অনুরাগীদের উপস্থিতি ছিল অত্যন্ত হতাশাজনক ও খুব কম। খেলা চলাকালীন সময়ে দেখা যায় যে, স্টেডিয়ামের শামিয়ানায় ঢাকা বা ছায়াযুক্ত শুধুমাত্র একটি গ্যালারি দর্শকে পরিপূর্ণ বা ভরা থাকলেও গোটা স্টেডিয়ামের বাকি অংশ ছিল প্রায় ফাঁকা ও জনশূন্য। মাঠের এই বিশাল জয় দেখার জন্য স্থানীয় দর্শকদের এমন অনাগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে।

বাংলাদেশ ইমার্জিং দল ও জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দলের মধ্যকার এই তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচটি আগামী বুধবার অর্থাৎ ১০ জুন এই একই ভেন্যু বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামেই অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম ম্যাচে জয়ী হয়ে বাংলাদেশ দল এখন সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামবে।

মন্তব্য