ব্রেকিং নিউজ :
মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন

অর্থনীতি

ঢাকায় পানি দূষণ মোকাবিলায় ৩৭ কোটি ঋণ

খবরওয়ালা ডেস্ক

প্রকাশ: ১১ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২:৫৮ পিএম

ঢাকায় পানি দূষণ মোকাবিলায় ৩৭ কোটি ঋণ

বিশ্বব্যাংক ঢাকার পানি দূষণ ও স্যানিটেশন সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যে ৩৭ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ অনুমোদন করেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এটি প্রায় ৪,৫২৮ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২.৩৯ টাকা হিসাবে)। ঋণ অনুমোদন প্রদান করা হয়েছে সংস্থার প্রধান কার্যালয়, ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত বোর্ড সভায়। বুধবার ঢাকার বিশ্বব্যাংক অফিস থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “মেট্রো ঢাকায় পানি নিরাপত্তা ও টেকসই কর্মসূচির মাধ্যমে বৃহত্তর ঢাকায় পানি দূষণ কমানো হবে। স্থানীয় ও জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা জোরদার করা হবে, যাতে ৫ লাখ ৫০ হাজার মানুষ নিরাপদ পানি এবং ৫ লাখ মানুষ উন্নত স্যানিটেশন সুবিধার আওতায় আসতে পারে।” এই কর্মসূচি সিটি করপোরেশন ও ওয়াসার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এছাড়াও এটি দূষণ ও পরিষেবা ঘাটতির কারণে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত সম্প্রদায়কে অগ্রাধিকার দেবে।

বাংলাদেশ ও ভুটান নিযুক্ত বিশ্বব্যাংক বিভাগের পরিচালক জ্যাঁ পেম বলেন, “বৃহত্তর ঢাকার লাখ মানুষের জন্য পানি জীবনরেখা। কিন্তু দ্রুত, অপরিকল্পিত নগরায়ন ও শিল্প প্রবৃদ্ধির কারণে পানি দূষণ বাড়ছে। এই কর্মসূচি নদী ও খালের দূষণ কমাতে এবং স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধারে প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি তৈরিতে সহায়ক হবে।”

বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকায় মাত্র ২০ শতাংশ বাসিন্দার পাইপযুক্ত পয়ঃনিষ্কাশন সংযোগ রয়েছে এবং মাত্র ২ শতাংশ কার্যকরী মল-মূত্র ব্যবস্থাপনা ব্যবহার করেন। অপরিশোধিত বর্জ্য ও পয়ঃনিষ্কাশন ৮০ শতাংশের বেশি ঢাকার জলপথে ফেলা হয়। ঢাকার অর্ধেকেরও বেশি খাল অদৃশ্য বা আটকে গেছে, যা দূষণকে তীব্র করছে।

ঢাকার বর্জ্য ও পানি দূষণ সংক্রান্ত তথ্য

বিষয়পরিমাণ / অবস্থা
পাইপযুক্ত পয়ঃনিষ্কাশন সংযোগ২০% বাসিন্দা
কার্যকরী মল-মূত্র ব্যবস্থাপনা২% বাসিন্দা
অপরিশোধিত বর্জ্য নিস্কাশন৮০% পানি পথে
অদৃশ্য বা আটকে থাকা খালঅর্ধেকের বেশি
রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানা৭,০০০+
দৈনিক বর্জ্য নিস্কাশন২,৪০০ মিলিয়ন লিটার

বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন বিশেষজ্ঞ হার্ষা গোয়েল বলেন, “কর্মসূচি ঢাকার জলাশয় দূষণ হ্রাস, ডিজিটাল রিয়েল-টাইম পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা, নদী পুনরুদ্ধার এবং শিল্প বর্জ্য পরিশোধনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। প্রথম পর্যায়ে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের নির্বাচিত এলাকা অন্তর্ভুক্ত হবে। এটি বর্জ্য সংগ্রহের কভারেজ বাড়াবে, সুবিধাবঞ্চিত সম্প্রদায়কে অগ্রাধিকার দেবে এবং পুনর্ব্যবহার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করবে।”

কর্মসূচির লক্ষ্য হলো শহরের প্রধান খাল ও নদীতে সরাসরি বর্জ্য নিক্ষেপ বন্ধ করা, ড্রেনেজ নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করা এবং শিল্প বর্জ্য নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা। এতে ঢাকার পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য ও টেকসই নগরায়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো তৈরি হবে।

মন্তব্য