খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮ই এপ্রিল ২০২৬, ৬:২৮ পিএম

পাকিস্তানের জনপ্রিয় সংগীত স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম স্পটিফাইয়ের সাম্প্রতিক প্রকাশিত পাঁচ বছরের ‘রিওয়াইন্ড’ বিশ্লেষণে টানা পঞ্চমবারের মতো দেশের সর্বাধিক স্ট্রিম হওয়া শিল্পীর শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন হিপ-হপ শিল্পী তালহা আনজুম। এই ধারাবাহিক সাফল্য পাকিস্তানের সংগীত জগতে পরিবর্তিত শ্রোতাপ্রবণতা এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সংগীত গ্রহণযোগ্যতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
স্পটিফাই পাকিস্তান তাদের অফিসিয়াল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শীর্ষ শিল্পীদের তালিকা প্রকাশ করে, যেখানে দেখা যায় তালহা আনজুমের পরবর্তী অবস্থানগুলোতে রয়েছেন দেশের বিভিন্ন ঘরানার জনপ্রিয় শিল্পীরা। তালিকায় মূলধারার পপ সংগীতশিল্পী, সুফি সংগীতের কিংবদন্তি এবং নতুন প্রজন্মের শিল্পীরা একসঙ্গে স্থান পেয়েছেন, যা পাকিস্তানের সংগীত বৈচিত্র্যকে প্রতিফলিত করে।
| অবস্থান | শিল্পী |
|---|---|
| ১ | তালহা আনজুম |
| ২ | আতিফ আসলাম |
| ৩ | উমাইর |
| ৪ | হাসান রহিম |
| ৫ | নুসরাত ফতেহ আলি খান |
| ৬ | তালহা ইউনুস |
| ৭ | রাহাত ফতেহ আলি খান |
| ৮ | আবদুল হান্নান |
| ৯ | মানু |
| ১০ | আসিম আজহার |
তালহা আনজুম দীর্ঘদিন ধরে তালহা ইউনুসের সঙ্গে ‘ইয়াং স্টানার্স’ নামের সংগীতদলে কাজ করছেন। তাঁর গানে সাধারণত সমাজ, পরিচয়, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং নগরজীবনের বাস্তবতা প্রতিফলিত হয়। বিশেষ করে তরুণ শ্রোতাদের মধ্যে তাঁর গান ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
তাঁর জনপ্রিয় গানের মধ্যে ‘গুমান’, ‘আফসানায়’, ‘বাজ’, ‘ডাউনার্স অ্যাট ডাস্ক’ এবং ‘লাম’ উল্লেখযোগ্য, যেগুলো স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে ব্যাপক শ্রোতাসংযোগ পেয়েছে। চলতি বছরে তিনি ‘২এএম ইন লন্ডন’ শিরোনামে একটি নতুন একক সংগীতও প্রকাশ করেন, যা তাঁর সাম্প্রতিক সৃষ্টিশীল ধারাবাহিকতার অংশ।
স্পটিফাইয়ের পাঁচ বছরের এই বিশ্লেষণে আরও দেখা যায়, গত এক বছরে ১৪০ জনেরও বেশি পাকিস্তানি শিল্পীর গান ব্যাপকভাবে শ্রোতাদের মধ্যে স্ট্রিম হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের সংগীতশিল্পীদের প্রতি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আগ্রহ ও অংশগ্রহণ বৃদ্ধির বিষয়টি স্পষ্ট হয়।
অন্যদিকে, আতিফ আসলামের মতো জনপ্রিয় পপ শিল্পী এবং নুসরাত ফতেহ আলি খান ও রাহাত ফতেহ আলি খানের মতো ঐতিহ্যবাহী সংগীতশিল্পীরা এখনো শ্রোতাদের মধ্যে শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছেন। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের শিল্পীরাও দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করছেন, যা পাকিস্তানের সংগীত পরিমণ্ডলে প্রজন্মভিত্তিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।
| গান |
|---|
| ঝোল |
| পাল পাল |
| উইশেস |
| বিখরা |
| মান্দ |
| তু হ্যায় কাহাঁ |
| ইরাদায় |
| কাহানি শুনো |
| নাহি মিলতা |
| পাসুরি |
এই গানগুলো পাকিস্তানের সাম্প্রতিক সংগীতধারায় উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেছে এবং আন্তর্জাতিক স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে দেশটির সংগীত উপস্থিতিকে আরও বিস্তৃত করেছে।
মন্তব্য