আলমগীর ফরিদ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতিবিদ এবং কক্সবাজার -২ এর প্রাক্তন সংসদ সদস্য ছিলেন। এ আসন থেকে বিএনপির হয়ে দুইবারের এমপি ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন।
Table of Contents
আলমগীর ফরিদ | বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ

পেশা
আলমগীর ফরিদ ১৯৯৬ সালে কক্সবাজার-২ থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী হিসাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে তিনি কক্সবাজার -২ থেকে পুনরায় নির্বাচিত হন। তিনি সংসদে পাবলিক আন্ডারটেকিং কমিটিতে কাজ করেছেন। সোনাদিয়ার আইল্যান্ডের রাজধানী ম্যানগ্রোভ জঙ্গলে হাজার হাজার গাছ কাটাতে তার মেয়াদের সময় তিনি শ্রমিকদের নিয়োগ দেন।
ব্যক্তিগত জীবন
আলমগীর ফরিদের ছোট ভাই শহীদুল্লাহ ১২ নং মহেশখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। ২ সেপ্টেম্বর ২০০৬ তারিখে চট্টগ্রাম উপকূলীয় বন বিভাগে শহীদুল্লাহর নাম বনভূমি দখলকারী ব্যক্তিদের তালিকায় প্রকাশিত হয়।

মামলা ও গ্রেফতার
২০০৩ সালের ১৩ মে, দুর্নীতির অভিযোগে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন তাকে গ্রেফতার করে। ৫ টি জালিয়াতির মামলায় অভিযুক্ত হিসেবে ১৫ এপ্রিল ২০০৭ তারিখে মহেশখালী থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। ২৯ এপ্রিল ২০০৮ এ দুর্নীতি দমন কমিশন আলমগীর ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ দায়ের করে।

সংসদ সদস্য:
সংসদ সদস্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে পার্লামেন্ট বা জাতীয় সংসদে সরকার কিংবা বিরোধীদলীয় সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করে থাকেন। এর ইংরেজি প্রতিরূপ হচ্ছে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ বা ‘এমপি’ এবং বাংলায় ‘সংসদ সদস্য’ কিংবা ‘সাংসদ’। এছাড়া, ফরাসী ভাষায় সংসদ সদস্যকে ‘ডেপুটি’ নামে অভিহিত করা হয়।
পরিচিতি
সংসদীয় গণতন্ত্রে একজন সংসদ সদস্য আইন-প্রণয়ন বিশেষতঃ রাষ্ট্রীয় আইন ও নাগরিক অধিকার প্রণয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সাধারণ অর্থে নির্দিষ্ট সংসদ কিংবা জাতীয় সংসদের সদস্যই এমপি বা সংসদ সদস্য হিসেবে আখ্যায়িত হন।
বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দ্বি-স্তরবিশিষ্ট সংসদীয় গণতন্ত্র রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে – উচ্চ কক্ষ এবং নিম্ন কক্ষ। সেক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি হিসেবে ‘সংসদ সদস্য’ পদটি নিম্নকক্ষের জন্য প্রযোজ্য। সচরাচর জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্য পদটি উচ্চ কক্ষে ভিন্ন পদে উপস্থাপন ও চিহ্নিত করা হয়। উচ্চ কক্ষ হিসেবে সিনেটে সংসদ সদস্য তখন তিনি ‘সিনেটর’ পদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।

অবস্থান
সংসদ সদস্য হিসেবে ব্যক্তিকে প্রাথমিকভাবে দলের সদস্যরূপে তাঁর অবস্থানকে নিশ্চিত করতে হয়। পরবর্তীতে দলীয় সভায় মনোনয়নের মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও জনমতের যথার্থ সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিফলনে তিনি এমপি হিসেবে নির্বাচিত হন। কখনোবা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অভাবে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে থাকেন। সাধারণতঃ সংসদ সদস্য কোন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সদস্য হয়ে থাকেন। দলীয়ভাবে মনোনয়নলাভে ব্যর্থ হলে কিংবা দলীয় সম্পৃক্ততা না থাকলেও ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী’ হিসেবে অনেকে নির্বাচিত কিংবা মনোনীত সংসদ সদস্য হন।
সংসদ সদস্যকে অনেকে ‘সাংসদ’ নামেও ডেকে থাকেন। তবে, নিত্য-নৈমিত্তিক বা প্রাত্যহিক কর্মকাণ্ডে ‘মেম্বার অব পার্লামেন্ট’ হিসেবে সংসদ সদস্যকে ‘এমপি’ শব্দের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত আকারে ব্যবহার করা হয়। বর্তমানকালে প্রচারমাধ্যমে সাধারণ অর্থেই এমপি শব্দের প্রয়োগ লক্ষ্যণীয়।
আরও দেখুনঃ