খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ৪ই জুলাই ২০২৬, ৮:১১ পিএম

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে নির্মিত একটি নতুন থিম সংয়ে কণ্ঠ দিয়েছেন এ প্রজন্মের জনপ্রিয় দুই সংগীতশিল্পী রাজীব ও লিজা। জনসংখ্যা, মাতৃস্বাস্থ্য, নবজাতকের নিরাপদ পরিচর্যা এবং সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে তৈরি এই গানটি আগামী বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে দেশের বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচার করা হবে।
গত ২ জুলাই সুরকার ও সংগীত পরিচালক ফোয়াদ নাসের বাবুর স্টুডিওতে গানটির রেকর্ডিং সম্পন্ন হয়। গানটির কথায় নতুন জীবনের আগমন, নিরাপদ মাতৃত্ব এবং শিশুর সুস্থ বিকাশের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। গানের শুরুতেই উঠে এসেছে আশাবাদের বার্তা—‘এসেছে নতুন ভোর, খুলেছি সেবার দোর, নতুন শিশুকে করি আবাহন, যত্নে রত্ন মেলে, নিরাপদ সেবা পেলে, তার হাসিতেই হাসে এ ভুবন।’ কথাগুলো লিখেছেন গীতিকার দীপক কুমার সাহা এবং সুর করেছেন ফোয়াদ নাসের বাবু।
গানটি নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সুরকার ফোয়াদ নাসের বাবু। তিনি বলেন, রাজীব ও লিজা দুজনই অত্যন্ত দক্ষ শিল্পী। তাদের কণ্ঠে গানটি প্রাণ পেয়েছে এবং শ্রোতাদের কাছে এটি ভালো লাগবে বলেই তার বিশ্বাস। সামাজিক সচেতনতার বার্তা বহনকারী এ ধরনের গান মানুষের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলেও তিনি মনে করেন।
সংগীতশিল্পী রাজীব বলেন, ফোয়াদ নাসের বাবুর সুরে গান গাওয়ার অভিজ্ঞতা সবসময়ই আনন্দের। এই গানটির কথার সঙ্গে সুরের যে আবেগময় সংযোগ তৈরি হয়েছে, তা শ্রোতাদের মন ছুঁয়ে যাবে বলে তিনি আশা করছেন। একই সঙ্গে তিনি মনে করেন, বিনোদনের পাশাপাশি সামাজিক দায়িত্ববোধ জাগিয়ে তুলতেও সংগীত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
লিজাও গানটি নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তার ভাষ্য, গানের কথা ও সুরের মধ্যে দারুণ একটি সামঞ্জস্য রয়েছে, যা গানটিকে আরও অর্থবহ করে তুলেছে। বিশেষ করে মানবিক বার্তাকে সহজ ও হৃদয়গ্রাহীভাবে তুলে ধরার প্রয়াস তার কাছে ভালো লেগেছে। শ্রোতারাও গানটির আবেদন অনুভব করবেন বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
প্রতি বছর বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নানা কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। নিরাপদ মাতৃত্ব, পরিবার পরিকল্পনা, নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা এবং টেকসই জনসংখ্যা ব্যবস্থাপনার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সাংস্কৃতিক উদ্যোগও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সেই ধারাবাহিকতায় নির্মিত এই থিম সংটি সচেতনতামূলক বার্তাকে আরও বিস্তৃত পরিসরে ছড়িয়ে দিতে সহায়ক হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
মন্তব্য