
ঢাকার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে দুই দিনব্যাপী উদযাপিত বিশ্ব সংগীত দিবসের সমাপনী দিনটি ছিল সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, শিল্পের উৎকর্ষ এবং সংগীতপ্রেমীদের মিলনমেলায় পরিণত এক অনন্য আয়োজন। ২২ জুন অনুষ্ঠিত এই শেষ দিনের অনুষ্ঠানে লোকসংগীত, সমকালীন সংগীত, বাদ্যযন্ত্রনির্ভর পরিবেশনা এবং আন্তর্জাতিক সংগীতধারার নানা রূপ উপস্থাপিত হয়, যা উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের গভীরভাবে মুগ্ধ করে।
সমাপনী দিনে শিল্পকলার উন্মুক্ত প্রাঙ্গণ ও অভ্যন্তরীণ মঞ্চে সারাদিন ধরে একের পর এক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। লোকসংগীতের প্রাণবন্ত সুরে গ্রামীণ জীবনের আবহ ফুটে ওঠে, আবার আধুনিক সমকালীন সংগীতের ছন্দে তরুণ প্রজন্মের সৃজনশীলতা প্রকাশ পায়। বাদ্যযন্ত্রনির্ভর একক ও দলীয় পরিবেশনায় শিল্পীদের দক্ষতা ও নিয়ন্ত্রণ দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। আন্তর্জাতিক সংগীতধারার পরিবেশনাও ছিল বিশেষ আকর্ষণ, যা বৈশ্বিক সংগীত সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয়ের সুযোগ তৈরি করে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, যাঁরা পুরো আয়োজন উপভোগ করেন এবং এর সাংস্কৃতিক গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন রুহুল কবির রিজভী, ইমরান সালেহ প্রিন্স, জাকির হোসেন রোকন, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ। তাঁদের উপস্থিতি আয়োজনে এক ধরনের মর্যাদা ও আনুষ্ঠানিক গুরুত্ব যোগ করে।
আয়োজকরা জানান, এই দুই দিনের মূল উদ্দেশ্য ছিল সংগীতের বহুমাত্রিক রূপকে এক মঞ্চে তুলে ধরা এবং নতুন প্রজন্মকে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সংগীতধারার সঙ্গে পরিচিত করা। পাশাপাশি সংগীতের মাধ্যমে সামাজিক সম্প্রীতি, সাংস্কৃতিক ঐক্য এবং মানবিক সংযোগকে আরও সুদৃঢ় করাও এই আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য ছিল।
দর্শক উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রতিটি পরিবেশনার পরই করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো প্রাঙ্গণ। তরুণ থেকে শুরু করে প্রবীণ দর্শক পর্যন্ত সবাই একসঙ্গে এই সাংস্কৃতিক উৎসবে অংশ নেন, যা অনুষ্ঠানটিকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। পুরো আয়োজন ছিল সুশৃঙ্খল, পরিকল্পিত এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাও ছিল সন্তোষজনক।
আয়োজকরা ভবিষ্যতে এ ধরনের আয়োজন আরও বৃহৎ পরিসরে করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তাঁদের মতে, নিয়মিত এ ধরনের সাংস্কৃতিক আয়োজন দেশের সংগীতচর্চাকে সমৃদ্ধ করবে এবং শিল্পীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।
দুই দিনের আয়োজনের সারসংক্ষেপ নিচে উপস্থাপন করা হলো—
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| আয়োজনের নাম | বিশ্ব সংগীত দিবস উদযাপন |
| স্থান | বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, ঢাকা |
| সময়কাল | দুই দিনব্যাপী |
| সমাপনী দিন | ২২ জুন |
| সংগীতের ধারা | লোকসংগীত, সমকালীন সংগীত, বাদ্যযন্ত্রসংগীত, আন্তর্জাতিক সংগীত |
| উপস্থিত বিশিষ্টজন | রুহুল কবির রিজভী, ইমরান সালেহ প্রিন্স, জাকির হোসেন রোকন, কানিজ মওলা, শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ |
| মূল উদ্দেশ্য | সংগীতের বৈচিত্র্য প্রদর্শন ও সাংস্কৃতিক সম্প্রীতি বৃদ্ধি |
এই আয়োজন আবারও প্রমাণ করেছে যে সংগীত কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং এটি সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং মানবিক সংযোগের এক শক্তিশালী সেতুবন্ধন, যা সমাজকে একসূত্রে গাঁথতে সক্ষম।
> ছাতকে আওয়ামী লীগ নেতা আফতাব উদ্দিন গ্রেপ্তার
> স্মরণে কালজয়ী গীতিকার শিবদাস বন্দ্যোপাধ্যায়: বিস্মৃতির আড়ালে এক সুরস্রষ্টা
> ইয়াবাসহ ছাত্রদলের দুই নেতা আটক, মারধরের পর পুলিশে সোপর্দ
> লিওনেল মেসির বাবা হোর্হে মেসি আর নেই
> নীরব ত্যাগে ইতিহাসের শক্তি, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব
> ভাড়ার টাকা জোগাতে চুল বিক্রি, রেললাইনের পাশে দুই সন্তান
> নিউইয়র্কে একক সংগীতানুষ্ঠানে অপূর্ব
> ২০৩০ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ভাগ্য বদলাতে পারেন ১০ তরুণ
> ইনু মামলার রায় ঘিরে বিচারব্যবস্থার পরীক্ষা
> সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস শাখা, ঠিকানা ও ফোন নম্বর
> প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর দেশের ভাবমুর্তি ক্ষতিগ্রস্থ করেছে
> ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দের তালিকা ও ফোন নম্বর
> করিয়ারদিয়ায় মাছের ঘের দখলচেষ্টা, অস্ত্রসহ দুইজন জনতার হাতে আটক
> বানরের আতঙ্কে ভীত লালবাজারবাসী ডিসি বরাবর আবেদন
> চাটখিলে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় যুবকের মৃত্যুদণ্ড
> আওয়ামী লীগের ৭৭ বছরের রাজনৈতিক গৌরবগাথা ও সংগ্রাম
> ফুলগাজীতে টিন কেটে ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রীকে হাত-পা বেঁধে হত্যা
© কপিরাইট ২০২৬ খবরওয়ালা। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
মন্তব্য