ব্রেকিং নিউজ :
মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন

আন্তর্জাতিক

বিশ্বকাপ ফাইনালে তারকাদের সংগীত আয়োজন

খবরওয়ালা ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬ই মে ২০২৬, ১২:০ পিএম

বিশ্বকাপ ফাইনালে তারকাদের সংগীত আয়োজন

ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনাল বরাবরই বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ক্রীড়া মঞ্চ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। কোটি কোটি দর্শকের নজর থাকে এই এক ম্যাচের দিকে। তবে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ ফাইনাল শুধু ফুটবলের জন্য নয়, বৈশ্বিক সংগীত আয়োজনের কারণেও বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিরতিকালীন সংগীতানুষ্ঠান, যা ইতোমধ্যে ক্রীড়াজগৎ ও বিনোদন অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, আগামী ১৯ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে অবস্থিত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য ফাইনালে একসঙ্গে পরিবেশনায় অংশ নেবেন বিশ্বখ্যাত সংগীতশিল্পী শাকিরা, ম্যাডোনা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় সংগীতদল বিটিএস। এই আয়োজন পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ক্রিস মার্টিন। পুরো আয়োজনের প্রযোজনায় রয়েছে আন্তর্জাতিক মানবিক উদ্যোগভিত্তিক সংগঠন গ্লোবাল সিটিজেন।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটিই প্রথম বিরতিকালীন সংগীতানুষ্ঠান। এতদিন বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা থাকলেও ফাইনাল ম্যাচের মাঝখানে আলাদা সংগীতানুষ্ঠানের নজির ছিল না। ফলে নতুন এই উদ্যোগকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো, এই আয়োজনে অংশ নেওয়া শিল্পীরা কোনো ধরনের পারিশ্রমিক গ্রহণ করবেন না। পুরো অনুষ্ঠানটি যুক্ত করা হয়েছে ‘ফিফা গ্লোবাল সিটিজেন শিক্ষা তহবিল’-এর সঙ্গে। এই তহবিলের প্রধান লক্ষ্য হলো বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিশুদের শিক্ষা ও ফুটবল সংশ্লিষ্ট সুযোগ সম্প্রসারণে অর্থ সংগ্রহ করা।

ফিফা জানিয়েছে, বিশ্বকাপের প্রতিটি টিকিট বিক্রি থেকে এক ডলার করে এই তহবিলে প্রদান করা হবে। ইতোমধ্যে তিন কোটি ডলারেরও বেশি অর্থ সংগ্রহ হয়েছে বলে সংস্থাটি নিশ্চিত করেছে। আয়োজকদের আশা, বিশ্বকাপ চলাকালীন এই অর্থের পরিমাণ আরও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

নিচে আয়োজনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরা হলো—

বিষয়তথ্য
আয়োজনবিশ্বকাপ ফাইনালের বিরতিকালীন সংগীতানুষ্ঠান
তারিখ১৯ জুলাই ২০২৬
ভেন্যুমেটলাইফ স্টেডিয়াম, নিউ জার্সি
অংশগ্রহণকারী শিল্পীশাকিরা, ম্যাডোনা, বিটিএস
আয়োজন পরিচালনাক্রিস মার্টিন
প্রযোজনাগ্লোবাল সিটিজেন
মূল উদ্দেশ্যশিশুদের শিক্ষা ও ফুটবল সুযোগ সম্প্রসারণ
তহবিল সংগ্রহ পদ্ধতিপ্রতি টিকিটে এক ডলার প্রদান
ইতোমধ্যে সংগৃহীত অর্থতিন কোটির বেশি ডলার

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এই উদ্যোগকে ফুটবল, সংগীত ও সামাজিক দায়বদ্ধতার এক নতুন সংযোগ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাঁর মতে, বিশ্বকাপ শুধু ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়, বরং এটি বিশ্বমানবতার এক মিলনমেলা। সেই দৃষ্টিকোণ থেকেই এই আয়োজনকে নতুন মাত্রা দেওয়া হয়েছে।

তবে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে সমর্থকদের মধ্যে ভিন্নমতও দেখা দিয়েছে। একাংশ মনে করছেন, এটি বিশ্বকাপকে আরও বৈশ্বিক বিনোদনমুখী করে তুলবে এবং নতুন প্রজন্মের দর্শকদের আকৃষ্ট করবে। অন্যদিকে অনেক ঐতিহ্যবাদী সমর্থক মনে করছেন, ফুটবল বিশ্বকাপের নিজস্ব গাম্ভীর্য ও ঐতিহ্যের সঙ্গে এমন আয়োজন পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাঁদের মতে, অতিরিক্ত বিনোদনমূলক উপস্থাপনা মূল খেলাটির গুরুত্বকে আংশিকভাবে আড়াল করতে পারে।

তবুও আয়োজকরা আশাবাদী, এই নতুন উদ্যোগ বিশ্বকাপের জনপ্রিয়তাকে আরও বিস্তৃত করবে এবং একই সঙ্গে মানবিক উদ্যোগের জন্য বড় অঙ্কের অর্থ সংগ্রহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মন্তব্য