ব্রেকিং নিউজ :
মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সই হতে পারে ২০টি সমঝোতা চুক্তি অর্থ পাচারেও চ্যাম্পিয়ন অন্তর্বর্তী সরকার: সুইস ব্যাংকের প্রতিবেদন

দেশ

লিবিয়া থেকে ১৭৫ বাংলাদেশি নিরাপদে দেশে প্রত্যাবাসন সম্পন্ন

খবরওয়ালা ডেস্ক

প্রকাশ: ১ই এপ্রিল ২০২৬, ১২:৪৪ এএম

লিবিয়া থেকে ১৭৫ বাংলাদেশি নিরাপদে দেশে প্রত্যাবাসন সম্পন্ন

লিবিয়া থেকে আগামী বুধবার ১৭৫ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরবেন, যাদের প্রত্যাবাসন কার্যক্রম বাংলাদেশ দূতাবাস ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)-এর সমন্বয়ে সম্পন্ন হচ্ছে। বাংলাদেশিদের বহন করবে বুরাক এয়ারের বিশেষ ফ্লাইট, যা ঢাকার মেতিগা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রত্যাবাসিতদের প্রেক্ষাপট

দূতাবাসের তথ্যানুযায়ী, প্রত্যাবাসিতদের মধ্যে ১১৩ জন ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার এবং ৬২ জন বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন। এ ছাড়া, তাদের মধ্যে ১৪ জন শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন।

লিবিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মো. হাবীব উল্লাহ ত্রিপলীর মেতিগা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে প্রত্যাবাসন কার্যক্রম তদারকি করেন। তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার থেকে প্রত্যাবাসিতদের বিদায় জানানো হয়। এ সময় দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) মো. রাসেল মিয়া উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রদূত লিবিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও আইওএম-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও এই সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা জানান।

প্রত্যাবাসনকালে অভিবাসীদের অভিজ্ঞতা

প্রত্যাবাসনের সময় রাষ্ট্রদূত প্রত্যাবাসিতদের সঙ্গে আলাপ করেন। অভিবাসীরা তাদের দুঃখ-দুর্দশার কথা তুলে ধরেন। তারা জানান, অনিয়মিতভাবে লিবিয়ায় প্রবেশের পর বিভিন্ন চক্রের কাছে জিম্মি হয়ে মুক্তিপণের জন্য শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। খাদ্য ও পানির অভাব, চিকিৎসার অভাব এবং দেশে তাদের জমি-জমা বিক্রির বিষয়ও উল্লেখ করেন। অনেকেই প্রায় অর্ধকোটি টাকা ব্যয়ের কথাও জানান।

রাষ্ট্রদূত তাদের মনোযোগ সহকারে শুনে সান্ত্বনা দেন এবং দেশে ফিরে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করার আহ্বান জানান। তিনি সাম্প্রতিক নৌ-দুর্ঘটনার কথা উল্লেখ করে বলেন, অন্তত জীবিত অবস্থায় দেশে ফিরতে পারা তাদের জন্য সৌভাগ্য। এছাড়া প্রত্যাবাসিতদের নিজ নিজ এলাকায় তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে অন্যদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।

বৈধ ও নিরাপদ অভিবাসনের গুরুত্ব

রাষ্ট্রদূত সবাইকে বৈধ ও নিরাপদ অভিবাসনের পথ অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি পরামর্শ দেন, বিদেশে যাওয়ার আগে সরকারি অনুমোদিত প্রক্রিয়া অনুসরণ, তথ্য যাচাই এবং দালাল চক্র থেকে দূরে থাকা উচিত। এছাড়া, প্রত্যাবাসিতদের সরকারি ও বেসরকারি পুনর্বাসন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ গ্রহণের মাধ্যমে স্বনির্ভর জীবন গড়ে তোলার জন্য উৎসাহিত করেন।

তিনি প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের প্রতারণার শিকার না হয়।

পুনর্বাসন কার্যক্রমের সমন্বয়

বাংলাদেশ দূতাবাস লিবিয়া স্বেচ্ছায় দেশে প্রত্যাবর্তনে আগ্রহী এবং বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি অভিবাসীদের প্রত্যাবাসনে নিরলসভাবে কাজ করছে। দূতাবাস লিবিয়া সরকার, আইওএম এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বজায় রেখেছে।

প্রত্যাবাসিতদের তথ্য সংক্ষেপ

বিষয়তথ্য
প্রত্যাবাসিত সংখ্যা১৭৫ জন
ডিটেনশন সেন্টারতাজুরা (১১৩ জন), গানফুদা (৬২ জন)
শারীরিক অসুস্থ১৪ জন
ফ্লাইটবুরাক এয়ার
বিমানবন্দরত্রিপলীর মেতিগা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
দায়িত্বপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতমেজর জেনারেল মো. হাবীব উল্লাহ
দূতাবাসের অন্যান্য কর্মকর্তাপ্রথম সচিব (শ্রম) মো. রাসেল মিয়া
সমন্বয় সংস্থাআইওএম ও লিবিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ

প্রত্যাবাসন কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশের নাগরিকরা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থান থেকে নিরাপদে দেশে ফিরেছেন। এই উদ্যোগ স্বেচ্ছাসেবী, সরকারি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার এক সফল উদাহরণ হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে।

মন্তব্য