খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ই জুন ২০২৬, ৪:৪০ পিএম

ম্যাচের শুরুতে আধিপত্য ছিল Bangladesh National Cricket Team–এর হাতে। পাওয়ারপ্লের ভেতরেই দুর্দান্ত বোলিং আক্রমণে সফরকারী Australia National Cricket Team–এর টপ অর্ডার ভেঙে দিয়ে স্বাগতিকরা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দিকে নিয়ে নেয়। প্রথম ছয় ওভারে বাংলাদেশের বোলাররা শৃঙ্খলিত লাইন–লেংথে চাপে রাখে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটারদের।
নাসুম আহমেদ ও নাহিদ রানা দ্রুত দুইটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নিয়ে সফরকারীদের শুরুটা এলোমেলো করে দেন। এরপর মোস্তাফিজুর রহমান পাওয়ারপ্লের শেষ বলেই অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক মিচেল মার্শকে ফেরালে ছয় ওভারে স্কোর দাঁড়ায় ৪৪ রানে ৩ উইকেট। তখন মনে হচ্ছিল, বড় সংগ্রহ গড়া অস্ট্রেলিয়ার জন্য কঠিন হয়ে পড়বে।
তবে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় চতুর্থ উইকেট জুটিতে। ম্যাট রেনশো ও টিম ডেভিড ব্যাট হাতে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক আক্রমণাত্মক রূপ ধারণ করেন। দুজনই শুরু থেকেই বাংলাদেশের বোলারদের ওপর পাল্টা আঘাত হানতে থাকেন। বিশেষ করে স্পিন আক্রমণের বিরুদ্ধে রেনশোর ব্যাটিং ছিল অত্যন্ত বিধ্বংসী।
রিশাদের এক ওভারেই টানা তিনটি ছক্কা হাঁকিয়ে রেনশো দ্রুত রান তোলার গতি বাড়িয়ে দেন। মাত্র ২৯ বলে তিনি অর্ধশতক পূর্ণ করেন। অন্য প্রান্তে টিম ডেভিডও সমান গতিতে রান সংগ্রহ করতে থাকেন এবং বাংলাদেশের ফিল্ডিং ও বোলিং ইউনিটের ওপর চাপ বাড়ান।
ডেভিড ব্যক্তিগত ৪৫ রানে আউট হলেও ততক্ষণে অস্ট্রেলিয়া শক্ত ভিত্তি পেয়ে গেছে। এরপর রেনশো এক প্রান্তে স্থির থেকে ইনিংসকে আরও বড় করেন। তিনি ৫২ বল মোকাবিলা করে অপরাজিত ৮৯ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল একাধিক চার ও ছক্কার মার।
শেষদিকে দ্রুত রান তোলার মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া ২০ ওভারে ১৯৬ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর দাঁড় করায়। শুরুতে বিপর্যয়ে পড়লেও মিডল ওভারে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংই তাদের ইনিংসকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যায়।
বাংলাদেশের বোলাররা শুরুতে ভালো করলেও মাঝের ওভারে নিয়ন্ত্রণ হারায়। বিশেষ করে স্পিনারদের ওপর চাপ তৈরি হওয়ায় রান রেট দ্রুত বেড়ে যায়।
| দল | রান | উইকেট | ওভার | সর্বোচ্চ রান |
|---|---|---|---|---|
| অস্ট্রেলিয়া | ১৯৬ | ৬ | ২০ | ম্যাট রেনশো ৮৯* |
| বাংলাদেশ | লক্ষ্য ১৯৭ | – | – | – |
১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নামবে বাংলাদেশ। ম্যাচে টিকে থাকতে হলে ব্যাটিং ইউনিটকে শুরু থেকেই দায়িত্বশীল ও আক্রমণাত্মক ভূমিকা নিতে হবে। ওপেনিং জুটির স্থিতিশীল শুরু, মধ্যক্রমের ধারাবাহিকতা এবং শেষ দিকে কার্যকর ফিনিশিং—সবকিছুই এই রান তাড়ার সাফল্য নির্ধারণ করবে।
অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার বোলিং আক্রমণ অভিজ্ঞতা ও বৈচিত্র্যে ভরপুর, যা বাংলাদেশের জন্য কাজটিকে আরও কঠিন করে তুলবে। ফলে এখন ম্যাচটি এক উত্তেজনাপূর্ণ চেজের দিকে এগোচ্ছে, যেখানে প্রতিটি ওভারই হতে পারে নির্ধারক।
মন্তব্য