
ভোলা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক নেতা মোস্তাক আহমেদ শাহিনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) দিবাগত রাত প্রায় ৩টার দিকে ভোলা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত তাঁর নিজ বাসভবনে যৌথ অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়। পরে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে বুধবার সকালে আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাঁকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ভোলা সদর মডেল থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের সদস্যরা যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করেন। দীর্ঘদিন ধরে বিচারাধীন একটি মামলার তদন্ত ও আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানের সময় এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল এবং কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালে ভোলা জেলা বিএনপির কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় মোস্তাক আহমেদ শাহিনের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলছিল। মামলাটি দীর্ঘদিন ধরে বিচারাধীন থাকায় আদালতের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের অংশ হিসেবে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গভীর রাতে পুলিশের একটি দল শাহিনের বাড়িতে পৌঁছে অভিযান চালায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাঁকে আটক করেন। অভিযান শেষে তাঁকে ভোলা সদর মডেল থানায় নেওয়া হয়, যেখানে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও অন্যান্য আইনি আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়। পুরো অভিযানে অতিরিক্ত কোনো উত্তেজনা বা বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়নি।
ভোলা সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জিয়াউদ্দিন আহমেদ জানান, গ্রেপ্তারের পর বুধবার সকালে মোস্তাক আহমেদ শাহিনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাঁকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, মামলার পরবর্তী কার্যক্রম আদালতের নির্দেশনা এবং তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতেই পরিচালিত হবে।
পুলিশ কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, বিচারাধীন মামলার ক্ষেত্রে আদালতের নির্দেশনা এবং প্রচলিত আইন অনুসরণ করেই সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়। তদন্তের প্রয়োজন অনুযায়ী তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ, সাক্ষ্য যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আইনগত ধাপ সম্পন্ন করা হচ্ছে। তদন্তে নতুন কোনো তথ্য বা আদালতের নতুন নির্দেশনা এলে সে অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
২০১৯ সালের ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মামলাটি এখনো বিচারাধীন রয়েছে। এ ধরনের মামলায় তদন্তকারী সংস্থা আদালতের নির্দেশনা, মামলার অগ্রগতি এবং বিদ্যমান আইনি বিধান অনুযায়ী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে। এই ঘটনাতেও একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করে গ্রেপ্তার, আদালতে হাজির করা এবং বিচারিক হেফাজতে পাঠানোর কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কোনো মামলার ক্ষেত্রে ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয় নয়, বরং আদালতের নির্দেশনা, তদন্তের অগ্রগতি এবং প্রচলিত আইনই পদক্ষেপ গ্রহণের ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে তদন্তের স্বচ্ছতা ও বিচারিক প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা নির্ধারণ করবে আদালত এবং বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত মামলাটি বিচারাধীন হিসেবেই বিবেচিত হবে।
> সরকারি স্টিকার লাগানো গাড়িতে ইয়াবা, আটক ৩
> সচিবালয়মুখী শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিতে বিভক্তি, সাংবাদিক লাঞ্ছনার অভিযোগ
> শিশুকে মারধরের অভিযোগে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা
> ছয় দফা দাবি নিয়ে সচিবালয়ে শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদল
> স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকারযুক্ত গাড়িতে ইয়াবা পাচার, নারীসহ আটক ৩
> বিশ্বকাপ বিদায়ে ফ্রান্সজুড়ে উত্তেজনা, আটক ১৬০-এর বেশি
> বৈরী আবহাওয়ায় বঞ্চিতদের বিশেষ সুযোগ এইচএসসি পরীক্ষায়
> ১০ শিল্প গ্রুপের ও শেখ হাসিনা পরিবারের ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ
> ইনু মামলার রায় ঘিরে বিচারব্যবস্থার পরীক্ষা
> প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর দেশের ভাবমুর্তি ক্ষতিগ্রস্থ করেছে
> করিয়ারদিয়ায় মাছের ঘের দখলচেষ্টা, অস্ত্রসহ দুইজন জনতার হাতে আটক
> সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস শাখা, ঠিকানা ও ফোন নম্বর
> ডিএনডি লেকে দুই কিশোরের মৃত্যু
> আওয়ামী লীগের ৭৭ বছরের রাজনৈতিক গৌরবগাথা ও সংগ্রাম
> ফুলগাজীতে টিন কেটে ঘরে ঢুকে প্রবাসীর স্ত্রীকে হাত-পা বেঁধে হত্যা
> একের পর এক পোশাক কারখানা বন্ধ ও শ্রমিক ছাঁটাই
© কপিরাইট ২০২৬ খবরওয়ালা। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
মন্তব্য